kolkata bengali news

ডেস্ক: গতকালই কংগ্রেসের ইস্তাহার প্রকাশ করেছেন কংগ্রেস সভাপতি রাহুল গান্ধী। ইস্তাহারের প্রচ্ছদে রাহুল গান্ধীর ছবি খুব ছোট করে ছাপানো হয়েছে। সেই ছবি দেখে যারপরনাই অসন্তুষ্ট বিদায়ী কংগ্রেস সভাপতি ও ইউপিএ চেয়ারপার্সন সোনিয়া গান্ধী। একদিকে যেমন মাতৃস্নেহ উথলে উঠেছে, অন্যদিকে কংগ্রেসের সভাপতির ছবি কোথায় সারা প্রচ্ছদ জুড়ে থাকবে তা না, সেটা হারিয়ে গিয়েছে প্রচ্ছদের মানুষের ভীড়ে।

এরপরই ইস্তেহার কমিটির সদস্য রাজীব গৌড়াকে একহাত নেওয়ার পাশাপাশি কমিটির সভাপতি পি চিদাম্বরমের সঙ্গেও এই নিয়ে কথাও বলেন সোনিয়া। কংগ্রেসের অন্দরে কান পাতলে শোনা যাচ্ছে ইতিউতি অন্য একটি তথ্যও। সোনিয়াজির ‘নাখুশ’ হওয়ার আরও একটি কারণ হল ইস্তাহারের প্রচ্ছদে গান্ধীজির কোনও ছবি না থাকা। কংগ্রেসের জন্মলগ্ন থেকে না হলেও একটা পর্বের পর গান্ধিজীর হাত ধরে পথ চলা শুরু হয়েছিল কংগ্রেসের। সেই জাতির জনকের কোনও ছবি ইস্তাহারের প্রচ্ছদে স্থান পায়নি। প্রচ্ছদের একেবারে নীচের দিকে বাঁদিকে রয়েছে কংগ্রেসের প্রতীক চিহ্ন হাত এবং ডানদিকে কংগ্রেস সভাপতি রাহুল গান্ধীর একটি ছোট ছবি। যতই তুখোড় রাজনীতিবিদ হন না কেন, সব কিছুর উর্ধবে গিয়ে যে মাতৃত্বই বড় তা এই চটে গিয়েই কার্যত প্রমাণ করেছেন সোনিয়া।

 

উল্লেখ্য, কংগ্রেসের এই নির্বাচনী ইস্তেহার নিয়ে ইতিমধ্যেই কটাক্ষ করেছেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী অরুণ জেটলি। তিনি বলেন, ‘এটা এমন একটা প্রতিশ্রুতি যা কখনই পূরণ হওয়ার নয়, এটি বিপজ্জনক প্রতিশ্রুতি।’ সেই রেশ ধরেই এদিন অরুণাচলের জনসভা থেকে কংগ্রেসের ইস্তেহারকে দুর্নীতিগ্রস্থ বলে তোপ দাগেন মোদী। কংগ্রেসের ৬০ বছরের শাসনকালকে বিজেপি সরকারের ৬০ মাসের সঙ্গে তুলনা করে মোদী বললেন, বিগত এতগুলো বছর ধরে কংগ্রেস কিছুই করেনি। নির্বাচনের আগে যে ইস্তেহার প্রকাশ করেছে তারা তা পুরো ভাওতা, জনগণের চোখে ধুলো দেওয়ার প্রয়াস। প্রধানমন্ত্রী মন্তব্য করেন, রাজনৈতিকভাবে দেউলিয়া কংগ্রেস দেশদ্রোহীদের শক্তি বাড়াচ্ছে, কিন্তু ‘চৌকিদার’ তৈরি রয়েছে, দেশকে সুরক্ষা দেবে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here