মহানগর ডেস্ক:   দেশে যখন করোনার প্রকোপ মারাত্মক আকারে বাড়ছে। সেই পরিস্থিতিতে বেশ কিছু অসাধু ব্যবসায়ী জাল রেমডেসিভির বিক্রি করেছে। সাধারণ মানুষ না বুঝেই সেই রেমডেসিভির কিনেছেন। প্রয়োগ করা হয়েছে করোনা রোগীদের। কিন্তু সেই জাল রেমডেসিভির প্রয়োগে অবাক কাণ্ড। ৯০ শতাংশ করোনা রোগী সুস্থ হয়ে উঠেছেন বলে জানা গিয়েছেন। আর এই ঘটনা রীতিমতো হতবাক চিকিৎসকরা। এমন ঘটনাই ঘটেছে মধ্যপ্রদেশে।

জাল রেমডেসিভির কার্যকারিতা দেখে হতবাক চিকিৎসা মহল ও বিশেষজ্ঞরা। প্রাথমিক পরিসংখ্যানে জানা গিয়েছে, আসল রেমডেসিভির পেয়ে যতজন সুস্থ হয়ে উঠেছেন, তার থেকেও বেশি সুস্থ হয়ে উঠেছেন নকল রেমডেসিভির। ইন্দোরের একটি রিপোর্টে জানা গিয়েছে মোট ১১০জন জাল রেমডেসিভির নিয়েছিলেন। তার মধ্যে ১০০ জন সুস্থ হয়ে উঠেছেন। ১০ জনের মৃত্যু হয়েছে। এই জাল রেমডেসিভিরে রয়েছে গ্লুকোজ ও নুন। যে ১০ জন মারা গিয়েছে, তাদের শেষকৃত্য শেষ। তাই তদন্ত করে দেখা সম্ভব নয়, এই জাল রেমডেসিভির কীভাবে কাজ করছে। শরীরে কি পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া দেখা গিয়েছে, এখন আর তা সম্ভব নয়।

জাল রেমডেসিভিরের বিষয়ে ১ মে পুলিশের জালে আটক দুষ্কৃতীদের কাছ থেকে জানা যায়। জানা গিয়েছে প্রথম মুম্বই থেকে রেমডেসিভিরের খোল কিনে আনা হতো। গুজরাতের একটি কারখানার গ্লুকোজ ও নুনের মিশ্রন ভরে দেওয়া হতো। বাইরে রেমডেসিভিরের লেভেল সেঁটে দেওয়া হতো। জানা গিয়েছে ইন্দোরে ৭০০ ও গোয়ালিরে ৫০০টি ভুয়ো ইঞ্জেকশন চালান দেওয়া হয়েছে। জাল রেমডেসিভিরের গ্যাং ধরতে মধ্যপ্রদেশের পুলিশ বদ্ধ পরিকর। ইতিমধ্যে বেশ কয়েক জায়গায় তল্লাশি অভিযান চালিয়েছে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here