kolkata bengali news

মহানগর ওয়েবডেস্ক: ভারতে আসার আগে পাক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানের সঙ্গে দেখা করেছিলেন চিনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং৷ সেই বৈঠকে আলোচনা হয়েছিল কাশ্মীর নিয়ে৷ স্বভাবসিদ্ধ ভঙ্গিতেই সেই বৈঠকে নয়াদিল্লির প্রতি ক্ষোভ উগড়ে দিয়েছিলেন ইমরান৷ কিন্তু সেই ক্ষোভের আঁচ কোনভাবেই পড়ল না মোদী-শি বৈঠকের ওপর৷ বরং শনিবার ভারত ছাড়ার আগে জিনপিং বলে গেলেন, “ড্রাগন আর হাতির যুগলনৃত্যই ভারত-চিন পারস্পরিক স্বার্থরক্ষার সঠিক পথ”।

নমো ও শির বৈঠকে কাশ্মীর নিয়ে আদৌ আলোচনা হয় কিনা তা নিয়ে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার কূটনৈতিক মহলের কৌতুহল ছিল তুঙ্গে৷ উদগ্রীব হয়ে অপেক্ষা করছিল ইসলামাবাদও৷ কিন্তু সেই আশায় জল ঢেলে কাশ্মীর প্রসঙ্গ কোনওভাবেই তুলল না বেজিং৷ যদিও বিদেশসচিব বিজয় গোখলে জানিয়েছেন, জম্মু ও কাশ্মীরের বিষয়টি আলোচনায় ওঠেনি। তবে ভারতের অবস্থান সর্বজনবিদিত। তা হল, এটি সম্পূর্ণ ভাবে ভারতের অভ্যন্তরীণ বিষয়। অন্যদিক থেকে শনিবার ভারত ছেড়ে যাওয়ার পরে ভারতে নিযুক্ত বেজিংয়ে রাষ্ট্রদূত সুন ওয়েইডং টুইট করে বলেছেন, “মোদীর সঙ্গে শি-র বৈঠক খুবই সফল হয়েছে। কেন্দ্র ও তামিলনাড়ুর সরকার আমাদের প্রেসিডেন্টের প্রতি যে আতিথ্য দেখিয়েছে, সেজন্য তাদের ধন্যবাদ জানাই”। ওই টুইট থেকে স্পষ্ট, শি-র ভারত সফরকে অত্যন্ত গুরুত্ব দিচ্ছে চিন।

মোদি সঙ্গে শিয়ের বৈঠকে কাশ্মীর প্রসঙ্গে চিন তুলবে বলেই আশাবাদী ছিল পাকিস্তান৷ কারণ দুই রাষ্ট্রনেতার বৈঠকের আগে যেভাবে কাশ্মীর নিয়ে হুঙ্কার ছেড়েছিলেন শি৷ তাতে কূটনৈতিক মহলের মনে হয়েছিল হয়ত কাশ্মীর পরিস্থিতি নিয়ে মোদীর কাছে উদ্বেগ প্রকাশ করতে পারেন শি জিনপিং৷ কিন্তু ৭০ মিনিটের ঘরোয়া বৈঠকে তা হয়নি৷ বরং মোদীকে ধন্যবাদ জানিয়ে শি বলেন, আপনার আতিথেয়তায় আমি ও আমার সহকর্মীরা মুগ্ধ। এবারের ভারত সফর আমাদের কাছে স্মরণীয় অভিজ্ঞতা হয়ে থাকবে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here