kolkata news

 

নিজস্ব প্রতিনিধি: শীতলকুচির ঘটনায় এখনও উত্তপ্ত রাজ্যের ভোটের পরিবেশ। এমন আবহে গতকাল বরাহনগরে ভোট-প্রচারে গিয়ে রাজ্য বিজেপির সভাপতি দিলীপ ঘোষ বলেছিলেন, ‘শীতলকুচিতে যারা দুষ্টুমি করেছে, তারা উপযুক্ত সাজা পেয়েছে৷ ভোটের পর রাজ্যে বিজেপির সরকার গঠন হবে৷ তখন আর এসব দুষ্টুমি চলবে না৷ এইসব দুষ্টু ছেলেরা কালকে শীতলকুচিতে গুলি খেয়েছে৷ এ রকম দুষ্টু ছেলেদেরকে ’সোনার বাংলায়’ রাখা হবে না৷ যারা আইন হাতে তুলে নেবে তাদের হাল এমনই হবে৷ বাড়াবাড়ি করলে দেখেছেন কাল শীতলকুচিতে কী হয়েছে, এবার জায়গায় জায়গায় শীতলকুচি হবে৷’ দিলীপ ঘোষের এই বক্তব্য সামনে আসার পর নিন্দার ঝড় ওঠে সব মহল থেকে। তৃণমূল থেকে তাঁকে গ্রেফতারের দাবি জানানো হয়।

এবার দিলীপ ঘোষকে ছাড়িয়ে গেলেন বিজেপি নেতা সায়ন্তন বসু। গতকাল জলপাইগুড়ির ধুপগুড়িতে বিজেপি প্রার্থীর হয়ে প্রচারে এসে সায়ন্তন বসু বলেন, ‘আমি সায়ন্তন বসু বলে যাচ্ছি। বেশি খেলতে যেও না, শীতলকুচির খেলা খেলে দেব।’ এরপর তিনি আরও বলেন, ‘সকাল বেলা আনন্দ বর্মনকে মেরে দিল। প্রথম ভোট দিতে গিয়েছিল। বেশিক্ষণ অপেক্ষা করতে হয়নি, ৪ ঘণ্টার মধ্যেই ৪টে-কে রাস্তা দেখিয়ে দেওয়া হয়েছে।’ শোলে সিনেমার ডায়লগ আউড়ে তিনি বলেন, ‘এক মারোগে তো চার মারেঙ্গে, শীতলকুচিতেও তাই হয়েছে।’

গতকাল বরানগরের দিলীপ ঘোষের বক্তব্য নিয়ে তৃণমূলের তরফে তাঁকে গ্রেফতারের দাবি জানানো হয়েছিল। তারপর বিজেপি নেতা সায়ন্তন বসু শীতলকুচির ঘটনা নিয়ে যে কথা বলেছেন, সে প্রসঙ্গে তৃণমূল জানিয়েছে, এটা স্বৈরাচারী বক্তব্য। অবিলম্বে ব্যবস্থা নিক কমিশন। একইসঙ্গে সায়ন্তনের এই বক্তব্যের নিন্দা করা হয়েছে বামেদের তরফেও।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here