kolkata news

 

নিজস্ব প্রতিনিধি, কোচবিহার: মাধ্যমিকে কোচবিহার জেলায় দশের মধ্যে তিন জন জায়গা করে নিল। মাধ্যমিকে সপ্তম হয়েছে কোচবিহারের মণীন্দ্রনাথ হাইস্কুলের ছাত্র করন দত্ত। কোচবিহার বাবুরহাট এলাকার বাসিন্দা বাবা পেশায় অবসরপ্রাপ্ত বিএসএফ কর্মী। সারা দিনে ৬ ঘণ্টা নিয়ম করে পড়াশোনা করত সে। ৮ জন শিক্ষক ছিল তার। আগামী দিনে  বিজ্ঞান নিয়ে পড়াশোনা করতে চায় করন।  পড়াশোনার পাশাপাশি খেলাধুলো করতে এবং বন্ধুদের সঙ্গে আড্ডা মারতে ভালবাসে করন। বাংলায় ৯৭, ইংরেজিতে ৯৭, অঙ্কে ১০০, ইতিহাস ৯৮, ভূগোল ৯৮, জীববিদ্যা ৯৮, ভৌতবিঞ্জানে ৯৮ পেয়েছে। এদিন মেধা তালিকায় তার নাম ঘোষণা হতেই খুশির হাওয়া করনের বাড়িতে। করন জানায়, রেজালট ভাল হবে জানতাম।  তবে মেধা তালিকায় জায়গা পাব ভাবিনি। করনের মা মাধবী দত্ত বলেন, ও ছোট থেকেই পড়াশোনায় ভাল। ভাল রেজাল্ট করবে জানতাম।  করনের বাবা মনোজ কুমার দত্ত বলেন, ছেলের ফল ভাল হওয়ায় ভাল লাগছে।

একইসঙ্গে রীতম বর্মন রাজ্যে সম্ভাব্য সপ্তম। রীতম দিনহাটা গোপালনগর এমএসএস হাইস্কুলের ছাত্র। রীতমের প্রাপ্ত নম্বর ৬৮৬(বাংলা-৯৯, ইংরেজি- ৯৯, অংক-১০০, ভৌতবিজ্ঞান- ৯৯, জীবন বিজ্ঞান- ৯৬, ইতিহাস-৯৬ ও ভূগোল-৯৭)। বাবা দিলীপচন্দ্র বর্মন জরাবাড়ি হাইস্কুলের পার্শ্বশিক্ষক, মা কৃষ্ণা বর্মন কার্জী একজন স্বাস্থ্য কর্মী। রীতম একজন হার্টের চিকিৎসক হতে চায়। তার সাফল্যে স্কুল, শিক্ষকর-সহ দিনহাটা মদনমোহন পাড়ার বাসিন্দারাও খুশি।

কোচবিহার ইন্দিরাদেবী বালিকা বিদ্যালয় ছাত্রী সম্প্রীতি রায় মাধ্যমিক ৬৮৩ নম্বর পেয়ে দশম স্থান অর্জন করেছে। কোচবিহার দক্ষিণ খাগড়াবাড়ি বাসিন্দা সে। বাবা নির্মাল্য রায় ব্যবসায়ী, মা কনিকা রায় গৃহবধূ। দিনে ৬ থেকে ৭ ঘণ্টা পড়াশোনা করত সে। পড়াশোনার পাশাপাশি ক্রিকেট দেখতে পছন্দ করে। আগামীতে সায়েন্স নিয়ে পড়ে শিক্ষিকা হতে চায় সে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here