Home Featured মর্নিং ওয়াকে নগরপাল, নিরাপত্তা ব্যবস্থা খতিয়ে দেখতে নিজেই নামলেন রাস্তায়

মর্নিং ওয়াকে নগরপাল, নিরাপত্তা ব্যবস্থা খতিয়ে দেখতে নিজেই নামলেন রাস্তায়

0
মর্নিং ওয়াকে নগরপাল, নিরাপত্তা ব্যবস্থা খতিয়ে দেখতে নিজেই নামলেন রাস্তায়
Parul

মহানগর ডেস্ক: সাম্প্রতিককালে সামনে এসেছে কিছু ঘটনা। সকালবেলায় প্রাতঃভ্রমণকারীকে কোপ মেরে বা পুরোপুরিভাবে মারার চেষ্টা করে তার থেকে ছিনতাই করা হচ্ছে মূল্যবান জিনিস। ঠিক সেরকমই গত বুধবার ময়দানে প্রাতঃভ্রমণকালে শরীরে কোপ বসিয়ে দামি মোবাইল ফোন ছিনতাইয়ের ঘটনা ঘটে। এরপরই নড়েচড়ে বসে রাজ্য প্রশাসন। যার কারণে রবিবার ভোর বেলা শহরের নিরাপত্তা খতিয়ে দেখতে নিজেই নেমে পড়লেন কলকাতার নগরপাল। সাধারণ মানুষের মতোই সাদামাটা পোশাক পড়ে সাইকেলে চেপে ঘুরলেন ময়দান, বাবুঘাট চত্বর। আর তার এই অভিযানে তার সঙ্গী হিসেবে ছিলেন জয়েন্ট কমিশনার ক্রাইম ব্রাঞ্চ মুরলীধর শর্মা ও ডিসি ট্রাফিক আকাশ মাঘারিয়া।

বুধবার সকালে দুর্ঘটনা ঘটার পর থেকেই বাবুঘাট, ময়দান চত্বরে আঁটোসাঁটো নিরাপত্তাব্যবস্থার আয়োজন করা হয়েছে কলকাতা পুলিশের পক্ষ থেকে। সেই নিরাপত্তা নিজের চোখে দেখতে রাস্তায় নেমে পড়েছিলেন কলকাতা পুলিশ কমিশনার সৌমেন মিত্র। ময়দান থেকে ফোর্ট উইলিয়ামের আশেপাশের এলাকা ঘুরে দেখেন। সঙ্গে বাবুঘাট, প্রিন্সেপঘাটেও ঘুরতে দেখা যায় পুলিশ কমিশনারকে।

উল্লেখ্য, গত বুধবার ভোর ৫টা নাগাদ ফোর্ট উইলিয়ামের দক্ষিণ গেটের কাছে প্রাতঃভ্রমণ কারি এক যুবককে কোপ মেরে দামী মোবাইল ছিনতাই করেছিল দুষ্কৃতীরা। ২৪ বছরের যুবক হরগোবিন্দ ব্যাস সেইদিন ময়দান থানা এলাকায় ফোর্ট উইলিয়ামে দক্ষিণ গেটের উল্টো দিকের রাস্তা দিয়ে হাটছিলেন। সেই সময় দুর্ঘটনাটি ঘটে। সঙ্গে সঙ্গে ওই তরুণ এক দুষ্কৃতীর হাত ধরে ফেলতে স্কুটার থেকে পড়ে যায় তারা। স্কুটার থেকে পড়ে যাওয়ার কারণেই রাগে তরুণের গায়ে হাতে পায়ে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কোপ বসায় দুষ্কৃতীরা। এমনকি তার মাথাতেও কোপ বসানো হয়। এরপরে ধরা পড়ার ভয়ে পালিয়ে যায় দুষ্কৃতীরা।

অভিযোগ উঠেছে, ওই হামলার সময় তরুণের আশেপাশে বেশ কয়েকজন ছিলেন। কিন্তু কেউ সাহায্যের জন্য এগিয়ে আসেননি। এর থেকেই বোঝা যায় মানুষের মনুষ্যত্ব বর্তমানে কোথায়! ময়দান থানার পুলিশ এসে তড়িঘড়ি ঘটনাস্থলে আহত তরুণকে উদ্ধার করে এসএসকেএম হাসপাতালে ট্রমা সেন্টারে নিয়ে যায়। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসার পর তাকে ছেড়ে দেওয়া হয়। এরপরের ঘটনা তদন্তে নেমেছে লালবাজারের ডাকাতি দমন বিভাগ। গোটা এলাকায় জোরদার নজর ছড়ানো হচ্ছে।

এমনকি বুধবারের ওই ঘটনার সিসি ক্যামেরা ফুটেজ খতিয়ে দেখে, বেনিয়াপুকুর থেকে পুলিশ ওই দুই অভিযুক্তকে গ্রেফতার করেছে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here