প্রতীকী

ডেস্ক: ভারতেও মাথাচারা দিচ্ছে হিন্দুত্ববাদের এই জিগির। যার ফলে ভারতের ধর্মনিরিপেক্ষতার তকমা প্রায় মুছতে চলেছে। এরকমটা হওয়া একেবারেই কাম্য নয়। তবে সম্প্রতি মার্কিন কংগ্রেসের রিপোর্টে এমনই এক চাঞ্চল্যকর তথ্য ধরা পড়েছে। সেই রিপোর্টে সাফ লেখা আছে এই হিন্দুত্ববাদের প্রবণতা সৃষ্টিতে দেশের সোশ্যাল মিডিয়াকে অন্যতম হাতিয়ার হিসাবে বেছে নেওয়া হয়েছে। আর এই হিন্দুত্বের জিগির শেষ চার বছর ধরে ক্রমশ বেড়েই চলেছে। এককথায় বলা চলে সোশ্যাল মিডিয়ার কুপ্রভাবে ভারতের ধর্মনিরপেক্ষতার ধ্বজা নামল বলে।

মার্কিন কংগ্রেসের একটি শাখা কংগ্রেসানাল রিসার্চ সার্ভিস সম্প্রতি ‘রিলিজিয়াস ফ্রিডম ইস্যু নিয়ে একটি রিপোর্ট পেশ করেছে। সেই রিপোর্টেই বলা হয়েছে গোরক্ষার নামে ভারত জুড়ে উগ্র হিন্দুত্ববাদী তাণ্ডব চলছে। উল্লেখ করা হয়েছে এই গণপিটুনির ফলে মৃত্যুও হয়েছে অনেকের। মার্কিন কংগ্রেসেও এই সংক্রান্ত আলোচনাও হয়েছে বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মাইক পম্পেও। উল্লেখ্য, ২০১৪ সালে নরেন্দ্র মোদী সরকার ক্ষমতায় আসে। তারপর থেকে উদ্র হিন্দুত্ববাদ বেশি মাথাচাড়া দিয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। একের পর এক গণপিটুনি, গোরক্ষা সহ একাধিক অপরাধমূলক কাজ বেড়েই চলেছে। শুধু তাই নয় মোদীর ক্ষমতায় আসার পরপরই ঘটে কালবুর্গি ও সাংবাদিক গৌরি লঙ্কেশ খুনের ঘটনা। এখন হিন্দুত্ববাদের নামে উগ্রতা কমানোই হবে মোদীর একমাত্র চ্যালেঞ্জ। নাহলে বিরোধী দলগুলি গেরুয়া শিবিরকে গদিছাড়া করতে করতে উঠে পড়ে লাগবে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here