national news

মহানগর ওয়েবডেস্ক: সংসদের বাদল অধিবেশনের তৃতীয় দিনে বিদেশ মন্ত্রকের তরফে জানিয়ে দেওয়া হল, গালোয়ান উপত্যকায় ভারত–চিন সেনাদের সংঘর্ষের কারণে সীমান্তে উত্তেজনা তৈরি হলেও ভারতের সঙ্গে চিনের সম্পর্কে কোনও চিড় ধরেনি। তৃণমূল কংগ্রেসের সাংসদ সৌগত রায়ের এক লিখিত প্রশ্নের উত্তরের জবাবে এমনটাই জানালেন বিদেশমন্ত্রকের প্রতিমন্ত্রী ভি মুরলীধরন।

রাজ্যসভায় আগেই স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের পক্ষ থেকে বলা হয়েছিল গত ছ’মাসে ভারত–চিন সীমান্তে কোনও অনুপ্রবেশ হয়নি। চার মাস ধরে লাদাখ সীমান্তে দু দেশের মধ্যে চরম উত্তেজক পরিস্থিতির মধ্যেই এই বিবৃতি দেওয়া হয়। গতকাল অর্থাৎ মঙ্গলবার প্রতিরক্ষামন্ত্রী লাদাখ সীমান্তে বিরোধ সম্পর্কে সংসদে জানান একতরফা ভাবে প্রকৃত নিয়ন্ত্রণ রেখায় চিনের স্থিতাবস্থার বদল ঘটানোর চেষ্টা মেনে নেওয়া হবে না।

গত ১৫ জুন সামরিক দিক থেকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ গালোযান উপত্যকায় ভারত ও চিনের সেনারা এক ভয়ঙ্কর রক্তক্ষয়ী হাতাহাতিতে জড়িয়ে পড়ে। এই সংঘর্ষে ২০ জন ভারতীয় জওয়ান শহিদ হয়েছিলেন। চিনের সৈন্যদের হতাহতের সংখ্যা যদিও আজ পর্যন্ত সরকারি ভাবে চিন জনসমক্ষে প্রকাশ করেনি। এরপর থেকেই দু’পক্ষই সীমান্তের বিভিন্ন জায়গায় নিজেদের অবস্থান দৃঢ় করতে শুরু করে। যদিও এরই মধ্যে ক্রমাগত সামরিক ও কূটনৈতিক স্তরে আলোচনার মাধ্যমে সমাধানসূত্র খোঁজার চেষ্টাও চালিয়ে যাওয়া হয়। কিন্তু সীমান্তের উত্তেজনা তার ফলে তেমন উল্লেখযোগ্য ভাবে প্রশমিত হয়নি।

সাংসদ সৌগত রায়ের প্রশ্নের জবাবে বিদেশ মন্ত্রকের পক্ষ থেকে আরও জানান হয়, প্রতিবেশী রাষ্ট্রের সঙ্গে সুসম্পর্ক বজায় রাখার বিষয়টি সরকার সবসময়ই অগ্রাধিকার দিয়ে এসেছে। পারস্পরিক সক্রিয় রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক সম্পর্কের ভিত্তিতে প্রতিবেশী রাষ্টের মধ্যে বিভিন্ন উন্নয়নমূলক প্রকল্প চালু রয়েছে। শিক্ষা, ব্যবসা–বাণিজ্য এবং বিনিয়োগের মধ্যে দিয়ে প্রতিবেশী রাষ্ট্রের সঙ্গে ভারত সম্পর্কিত হয়ে রয়েছে।

চিন তাদের সরকারি সংবাদমাধ্যমে ভারতের সিকিম রাজ্যটিকে তাদের দেশের অংশ বলে দাবি করা সংক্রান্ত আর একটি প্রশ্নের উত্তরে বিদেশ মন্ত্রকের পক্ষ থেকে বলা হয়, সবাই জানে সিকিম ভারতের অবিচ্ছেদ্য অঙ্গ।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here