মহানগর ডেস্কঃ একাধিক দেশে করোনা প্রতিষেধক রফতানি করে এখন প্রবল সমালোচনার মুখে ভারত সরকার। এরই মধ্যে শোনা যাচ্ছে কূটনৈতিক সম্পর্ক বজায় রাখতে বিশেষ আগ্রহ প্রকাশ করছে দিল্লি। আগামী সময়ে বিদেশের করোনা টিকা রফতানি করতে দেখা যেতে পারে ভারতকে, এমনটাই মনে করছেন বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যম।

করোনা অতিমারির প্রথম পর্যায় যখন স্তিমিত হয়ে এসেছিল তখন কার্যত জয় ধ্বজা উড়িয়ে দিয়েছিল কেন্দ্র। হই-হই করে একাধিক এদেশে বিমানে করে পাঠানো হয়েছিল করোনার ভ্যাকসিন। এরপরই ঘটতে পরিস্থিতির বদল। নিজেদের দেশে আছড়ে পরে করোনার দ্বিতীয় ঢেউ। যা এখনও কাটিয়ে উঠতে পারেনি ভারত। একদিকে যেমন রয়েছে অক্সিজেন সংকট, তেমনই রয়েছে করোনা প্রতিষেধক যথেষ্ট পরিমাণ না থাকার অভিযোগ। রাজনৈতিক মহল থেকে সাধারণর স্তর, বিভিন্ন জায়গাতে কেন্দ্রর সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে প্রশ্ন তুলছেন অনেকেই। কিন্তু কেন্দ্র নিজে কী ভাবছে?

মনে করা হচ্ছে, ভারতীয় উপমহাদেশে বৃহত্তম শক্তিশালী দেশ হিসেবে নিজেদের কর্তৃত্ব ধরে রাখার ক্ষেত্রে বিপদে-আপদে প্রতিবেশীদের পাশে থাকার ব্যাপারটিকে জোরের সঙ্গে দেখছে নরেন্দ্র মোদির সরকার। তাই পরিমাণে কম হলেও, টিকা রফতানি চলবে বিদেশে।

এই মুহূর্তে ভারত ছাড়াও এশিয়ার বিভিন্ন দেশে অতিমারির প্রকোপ হয়েছে প্রবল। বাংলাদেশ, নেপাল এবং মলদ্বীপে বেড়েছে করোনার প্রকোপ। মলদ্বীপে এই মুহূর্তে সংক্রমণের হার প্রায় ৬০ শতাংশ। নেপালে চলছে রাজনৈতিক চাপানউতোর। সেখানেও এখন উল্লেখযোগ্য নয় স্বাস্থ্য পরিষেবা।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here