news bengali national

মহানগর ওয়েবডেস্ক: করোনা চিকিৎসায় এবার নয়া চিকিৎসা পদ্ধতি প্রয়োগের পথে হাঁটতে চলেছে ভারত। অভিনব প্লাজমা থেরাপির মাধ্যমে এবার করোনা আক্রান্তদের চিকিৎসা করা হবে। এই পদ্ধতিতে করোনা থেকে সুস্থ হয়ে ওঠা কোনও রোগীর রক্তের প্লাজমা আক্রান্তের দেহে ইনজেক্ট করা হয়। ফলে ওই রোগীর দেহেও এন্টিবডি গড়ে ওঠে যা করোনা প্রতিরোধে সহায়তা করে। এই পদ্ধতির ক্লিনিক্যাল ট্রায়াল খুব তাড়াতাড়িই করতে চাইছেন ভারতীয় চিকিৎসকরা।

বেশ কিছুদিন ধরেই এই পদ্ধতি রোগীদের ওপর প্রয়োগ করছে আমেরিকা। সম্প্রতি মার্কিন একটি জার্নালে এই নিয়ে রিপোর্ট প্রকাশিত হয়েছে। আমেরিকায় আপাতত এই পদ্ধতির বেশ সুফল পাওয়া যাচ্ছে। এবার সেই পথেই হাঁটতে চলেছে ভারতও।

ইতিমধ্যেই এই নিয়ে একটি নির্দেশিকার ড্রাফট তৈরি করছে ইন্ডিয়ান কাউন্সিল অফ মেডিক্যাল রিসার্চ। ড্রাফট তৈরি হয়ে গেলেই তা পাঠানো হবে ড্রাগ কন্ট্রোলার জেনারেল অফ ইন্ডিয়ার কাছে। ‘আর দুই একদিনের মধ্যে ড্রাফট তৈরি হয়ে যাবে। যেহেতু এটা নতুন পদ্ধতি তাই ক্লিনিক্যাল ট্রায়াল করা বাধ্যতামূলক। তাই নিয়ম অনুযায়ী ইন্ডিয়ান কাউন্সিল অফ মেডিক্যাল রিসার্চ ড্রাফট তৈরি করেই ড্রাগ কন্ট্রোলার জেনারেল অফ ইন্ডিয়ার কাছে পাঠাবে। সেখান থেকে অনুমতি মিললেই ক্লিনিক্যাল ট্রায়াল হবে’, জানান চেন্নাইয়ের ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অফ এপিডেমিওলজির ডিরেক্টর ডাঃ মনোজ মুরেখার।

এখন প্রশ্ন হল এই প্লাজমা থেরাপি কাজ করে কীভাবে? প্রথমে করোনা সংক্রমণ থেকে সুস্থ হয়ে উঠেছেন এমন কোনও ব্যক্তির রক্ত থেকে প্লাজমা নেওয়া হবে। যেহেতু ওই ব্যক্তি সুস্থ হয়ে গিয়েছেন তাই তার দেহে করোনা ভাইরাস বিরোধী এন্টিবডি তৈরি হয়ে গিয়েছে। এই এন্টিবডি সমৃদ্ধ প্লাজমা অন্য আক্রান্তের শরীরে ইনজেক্ট করা হবে, যাতে তার শরীরেও আরও বেশি করে করোনা বিরোধী এন্টিবডি তৈরি হয়।

পাশাপাশি, এই ভাইরাসের চরিত্র বোঝার জন্য দুটি সেন্টার ফর সায়েন্টিফিক এন্ড ইন্ডাস্ট্রিয়াল রিসার্চ ল্যাব, হায়দরাবাদে সেন্টার ফর সেলুলার এন্ড মলিকিউলার বায়োলজি এবং দিল্লিতে ইনস্টিটিউট ফর জিনোমিক্স এন্ড ইনটিগ্রাটিভ বায়োলজিতে করোনা ভাইরাসের জিনোম পরীক্ষা করা হচ্ছে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here