FotoJet-2019-04-23T133636.108

ডেস্ক: শ্রীলঙ্কায় ধারাবাহিক বিস্ফোরণকাণ্ডে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ৩১০। আহতের সংখ্যা প্রায় ৫০০ জন। মঙ্গলবার সেখানকার পুলিশ এ কথা জানিয়েছে। এদিকে নিহতদের গণকবর দেওয়া শুরু হয়েছে। গোটা দেশে জরুরি অবস্থা জারি করা হয়েছে। পাশাপাশি রাষ্ট্রীয় শোক চলছে। ইতিমধ্যেই এই হামলার জন্য স্থানীয় চরমপন্থী দল ন্যাশনাল তৌহিদ জামাতকে দায়ি করেছে শ্রীলঙ্কা। তবে এসবের মাঝেই ভারত শ্রীলঙ্কাকে সাবধান করল ভারত।

ভারত ইতিমধ্যেই শ্রীলঙ্কাকে জানিয়েছে যে, এনটিজে-র আরেকটি দল হামলা করার জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছে। এটা শুনে কার্যত নড়েচড়ে বসেছে প্রশাসন। এর আগে শ্রীলঙ্কায় বড়সড় ধরনের হামলা হতে পারে বলে সরকারকে সাবধান করেছিল ভারত। ইস্টারের হামলার অনেক আগেই শ্রীলঙ্কার গোয়েন্দা বাহিনীর কাছে একটি সতর্কবার্তা দিয়েছিল ভারত। ভারতের দাবি ছিল, জঙ্গি সংগঠন আইএস-এর মদতপুষ্ট চরমপন্থী দল এনটিজে নাশকতার ছক কষছে। তবে আগাম সতর্কবাণী থাকা সত্ত্বেও রাজধানী কলম্বোতে ধারাবাহিক হামলার ঘটনা এড়ানো সম্ভব হয়নি। তবে শুধু ভারত নয়, রবিবার মার্কিন বিদেশ মন্ত্রকের তরফ থেকে ফের কলম্বোর উদ্দেশে একটি সতর্কবার্তা পাঠানো হয়। জঙ্গিরা ফের সেখানে আত্মঘাতী হামলার পরিকল্পনা করছে বলে জানায় ওয়াশিংটন।

ছুটির সাত সকালে ধারাবাহিক বিস্ফোরণে কেঁপে ওঠে শ্রীলঙ্কা। প্রথমে তিনটি গির্জা, তারপর ৩টি হোটেলে ভয়াবহ বিস্ফোরণ ঘটে। এরপর দুপুরের পরেই আরও দুই জায়গায় ভয়াবহ বিস্ফোরণ ঘটে। রবিবার সকাল ৯টা নাগাদ প্রথম বিস্ফোরণটি ঘটে শ্রীলঙ্কার রাজধানী কলম্বো থেকে কিছুটা থাকা দূরে নেগাম্বা শহরের একটি গির্জায়। সেইসময়ে ‘ইস্টার স্যাটেরডে’ উপলক্ষ্যে প্রার্থনা চলছিল চার্চে। এরপর আচমকা বিস্ফোরণে কেঁপে ওঠে। বিস্ফোরণ ঘটে সেন্ট অ্যান্টলি চার্চ, সেন্ট সিবেস্টিয়ান চার্চ সহ একাধিক নামি পাঁচ তারা হোটেলে বিস্ফোরণ ঘটে। এখনও অবধি শ্রীলঙ্কায় এটাই সবথেকে ভয়াবহ বিস্ফোরণ বলে দাবি বিশিষ্ট মহলের। তবে কী ধরণের বিস্ফোরণ ঘটেছে সে ব্যপারে এখনও অবধি কিছু জানা সম্ভব হয়নি। সূত্রের খবর, সেন্ট সেবাস্টিয়ান গির্জার তরফে হামলার কথা বলা হয়। শ্রীলঙ্কার রাষ্ট্রপতি সকলকে শান্তি বজায় রাখার জন্য আবেদন জানিয়েছেন।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here