Parul

মহানগর ডেস্ক: করোনার দ্বিতীয় ঢেউ এর ফলে ঘোষিত লকডাউনে ভারতের অর্থনীতির হাল বেহাল। কাজ হারিয়ে কিংবা ব্যবসায়িক চাপে পড়ে দারিদ্রতার সম্মুখীন হতে হচ্ছে বহু ভারতীয় নাগরিকদের। পরিস্থিতি এমন দাঁড়িয়েছে যে নিরুপায় হয়ে নিজেদের শেষ সম্বল মূল্যবান সোনাটুকু বেচে দিতে বাধ্য হচ্ছেন তারা। সম্প্রতি এমনই রিপোর্টে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে ভারতীয় অর্থনৈতিক মহলে।

ads

দেখা গেছে আগের বছরের লকডাউনের মত এবারে আর স্বর্ণ ঋণ কিংবা গোল্ড লোন নিতে চাইছেন না অনেকে। এবারে তারা সরাসরি বেচে দিচ্ছেন সোনা। ৫০ বছর বর্ষীয় এক ওয়েটার যিনি লকডাউনে একটি ক্রুজ শিপে নিজের চাকরি হারিয়েছেন, তিনি বলছেন, “গত বছর গোল্ড লোন নিয়ে মেয়ের পড়াশোনার খরচ চালিয়েছিলাম। কিন্তু এবারে তা সম্ভব না। গোল্ড লোনও একটি লোন। কিন্তু সোনা বেচে দিলে আর কোনো সুদের চিন্তা থাকেনা।”

যেহেতু দ্বিতীয় ঢেউ এর লকডাউনে অনেক নাগরিককেই দারিদ্রতা কিংবা দেউলিয়া হয়েছেন। তাই তারা নিজেদের শেষ সম্বল সোনা বিক্রি করে জীবনের খরচ চালাচ্ছেন। গ্রামীন অঞ্চলে পরিস্থিতি আরো ভয়াবহ। পর্যাপ্ত পরিমাণে ব্যাঙ্ক না থাকায় গ্রামের মানুষদের মূল সঞ্চয় সোনাই। যেহেতু দ্বিতীয় ঢেউ গ্রাম গুলিকেও বিদ্ধস্ত করে দিয়েছে। তাই সেখানে অনেকেই রোজগার হারিয়ে সোনা বেচে দেওয়ার পন্থা বেছে নিয়েছেন।

 

একটি রিপোর্ট বলছে এবছর সোনার পুনঃনির্মাণ অর্থাৎ পুরোনো সোনা গলিয়ে নতুন ডিজাইনের গয়না তৈরির পরিমাণ প্রায় ২৬০ টন ছুঁতে পারে। সোনা ব্যাঙ্কে জমা না থাকলে কিংবা ঋণ হিসাবে না খাটানো হলে আখেরে অর্থব্যাবস্থারই ক্ষতি বলে মনে করছেন অর্থনীতিবিদরা।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here