national news bengali

মহানগর ওয়েবডেস্ক: হিন্দু-মুসলিম, রাম মন্দির, পাকিস্তান…এই নিয়েই মেতে রয়েছে কেন্দ্রীয় সরকার। এদিকে অর্থনীতি, শিল্প ক্ষেত্রে দেশের যে করুণ অবস্থা হচ্ছে তার দিকে কোনও খেয়ালই নেই মোদী বাহিনীর। বিরোধীদের এই অভিযোগ যেন আরও দৃঢ় হচ্ছে বেশকিছু রিপোর্ট প্রকাশ্যে আসার পর। জিডিপি, আর্থিক বৃদ্ধি নিয়ে বেশকিছু তথ্য সামনে আসার পর কেন্দ্রের মুখ পুড়েছে। এবার মুদ্রাস্ফীতির রিপোর্ট প্রকাশ্যে আসতেই আবারও মুখ লোকাতে হচ্ছে সরকারকে। কারণ জানা যাচ্ছে, গত তিন বছরে মুদ্রাস্ফীতির হার সবচেয়ে বেশি।

সম্প্রতি যে রিপোর্ট প্রকাশ্যে এসেছে তাতে দেখা যাচ্ছে, গত নভেম্বরে খুচরো পণ্যের মুদ্রাস্ফীতির হার বেড়ে দাঁড়িয়ে ৫.৫৪ শতাংশ। গত তিন বছরের মধ্যে যা প্রথম। অন্যদিকে, গত অক্টোবরে শিল্প উৎপাদন কমে দাঁড়িয়েছে ৩.৮ শতাংশ। তার আগের মাসে যা ছিল ৪.৩ শতাংশ। পাশাপাশি, কেন্দ্রীয় সরকারের পক্ষ থেকে মুদ্রাস্ফীতি নিয়ে যে রিপোর্ট প্রকাশ করা হয়েছে তাতেও দেখা গিয়েছে, অক্টোবরে খুচরো-মুদ্রাস্ফীতি ছিল ৪.৬২ শতাংশ। নভেম্বরে তা বেড়ে হয়েছে ৫.৫৪ শতাংশ। বিগত বেশকিছু সময় ধরে জিনিসপত্রের লাগাম ছাড়া মূল্যবৃদ্ধি ও শিল্প উৎপাদন হ্রাস পাওয়ার কারণেই এই পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে বলে মনে করছে বিশেষজ্ঞ মহল।

এমনিতেই ভারতের আর্থিক বৃদ্ধি গত ৬ বছরের মধ্যে সবচেয়ে তলানিতে এসে ঠেকেছে। চলতি আর্থিক বছরের দ্বিতীয় ত্রৈমাসিকে জাতীয় উৎপাদন বৃদ্ধির হার কমে দাঁড়িয়েছে মাত্র ৪.৫ শতাংশে। এই ব্যাপক মন্দার পিছনে অর্থনীতির বিশেষজ্ঞদের দাবি, দেশের পণ্যের চাহিদা ও বেসরকারি লগ্নি হ্রাস পেয়েছে। পাশাপাশি দেশের মাটিতে বিদেশী লগ্নিও প্রায় বন্ধ হওয়ার জোগাড় হয়েছে। উপরি পাওনা হিসাবে আছে বিশ্ববাজারে মন্দার জেরে রফতানিতে টান। সবকিছু মিলে মিশেই করুন হাল দেশের অর্থনীতির। উল্লেখ্য, গত ২০১৬ সালের জুলাই মাসে মুদ্রাস্ফীতি বেড়ে ৬.০৭ শতাংশে পৌঁছে গিয়েছিল, যা ছিল রেকর্ড। তারপরে এবার এটা একটা নতুন রেকর্ড সৃষ্টি করল।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here