নিজস্ব প্রতিবেদক, ব্যারাকপুর: আবারও আক্রান্ত প্রতিবাদী। নিজের বাড়িতেই দেওরের হাতে আক্রান্ত পুলিশ কর্মীর স্ত্রী। এবার মদ্যপ দেওরের মদ খাওয়ার প্রতিবাদ করে দেওরের লোহার রডের আঘাতে মাথা ফাটল প্রতিবাদী বৌদির, মাকে বাঁচাতে গিয়ে মারাত্মক জখম হল পুলিশ কর্মীর ছেলেও । মদ্যপ অভিযুক্ত কাকা সুব্রত ঘোষ ভাইপোর কান ছিঁড়ে নেয় বলে অভিযোগ। উত্তর ২৪ পরগনার ঘোলা থানার অন্তর্গত সোদপুরের মুড়াগাছা অঞ্চলের এই ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে এলাকায় । জখম বৌদির নির্দিষ্ট লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে শেষ পর্যন্ত ঘোলা থানার পুলিশ অভিযুক্ত দেওর সুব্রতকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করেছে ।

জানা গিয়েছে, ঘোলা থানার অন্তর্গত মুড়াগাছা এলাকায় স্থানীয় ঘোষ বাড়িতেই বসবাস করেন বিধাননগর কমিশনারেটের পুলিশ অফিসার অসিত কুমার ঘোষ ও সুব্রত ঘোষের পরিবার । সুব্রত বাবুর নিজস্ব একটি ওষুধের দোকান রয়েছে বাড়ির সংলগ্ন নিচ তলায় । ওই ওসুধের দোকানের ভেতরেই প্রত্যেকদিন সাঙ্গপাঙ্গ নিয়ে মদের আসর বসানোর অভিযোগ ওঠে দেওর সত্যব্রতর বিরুদ্ধে । এরই প্রতিবাদ করেন বিধাননগর পুলিশ কমিশনারেটের অফিসার অসিত কুমার ঘোষের স্ত্রী। তার অভিযোগ, ওই পুলিশ অফিসারেরই ভাই সুব্রত ঘোষ প্রত্যেক দিন বাড়ির সামনে তার ঔসুধের দোকানের ভেতরে বহিরাগতদের নিয়ে এসে মদের আসর বসায়। সেখানে একটি সিসিটিভি ক্যামেরা লাগানো হলেও সেটি ভেঙে দেয় তারা।

শনিবার যখন মদ খাওয়ার প্রতিবাদ করে তার বৌদি, সেই সময় দেওর সুব্রত ঘোষ বহিরাগতদেরকে নিয়ে এসে পুলিশ অফিসারের স্ত্রী তথা বৌদির ওপর চড়াও হয়। বেধড়ক মারধর করে তার ছেলেকে। ছেলেকে মেরে কান ছিঁড়ে দেয় বলে অভিযোগ। এ বিষয়ে ঘোলা থানায় অভিযুক্তের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের হয় । এই ঘটনায় মুড়াগাছা এলাকায় বিশাল চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছে। ইতিমধ্যেই সুব্রত ঘোষকে আটক করেছে পুলিশ।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here