ডেস্ক: তৃণমূলের গোষ্ঠী সংঘর্ষের জেরে উত্তপ্ত হয়ে উঠল খোদ মহানগর। মুহুর্তের মধ্যে রণক্ষেত্র চেহারা নিল কাশীপুর এলাকা। সোমবার সকাল থেকে উত্তপ্ত হয়ে উঠল এলাকা। সমানে চলল পাথর বৃষ্টি, মারধর। এদিন এই সংঘর্ষ চলে টানা আড়াই ঘন্টা ধরে। জানা গিয়েছে, কলকাতা কর্পোরেশনের অন্তর্গত ১ নম্বর ওয়ার্ডের ২২ নম্বর বস্তি এলাকার বাসিন্দা লাডলা একটি ছোট্ট পানের দোকান চালায়। অভিযোগ, স্থানীয় কয়েকজন যুবক মদ্যপ অবস্থায় লাডলার দোকানের সামনে ঝামেলা করছিল। নিজের দোকানের সামনে এরকম ঘটনা ঘটতে দেখায় রীতিমতো ক্ষেপে যান তিনি। এরপর ওই যুবকদের ঝামেলা করতে মানা করায় তাঁকে বেধরক মারধর করে ওই যুবকরা।

স্থানীয় সূত্রে খবর, লাডলাকে যারা পিটিয়েছে তারা স্থানীয় তৃণমূল নেতা আনোয়ার খানের অনুগামী ছিল। উল্লেখ্য, এই কাশীপুর ২২ নম্বর বস্তি এলাকায় দুই তৃণমূল গোষ্ঠী নিজেদের আধিপত্য কায়েম রেখেছে। এই আনোয়ার খানের প্রতিপক্ষ হল আরও এক তৃণমূল নেতা, যার নাম হল স্বপন চক্রবর্তী। এদিন এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে দুই গোষ্ঠীর মধ্যে সংঘর্ষ বেঁধে যায়। এমনকি মহিলাদেরও মারধর করা হয় বলে অভিযোগ ওঠে। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে গোটা এলাকা সরগরম হয়ে ওঠে। খবর দেওয়া হয় স্থানীয় পুলিশকে। পরিস্থিতি বাগে আনতে পুলিশকে রীতিমতো হিমশিম খেতে হয়। এই ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের খোঁজে পুলিশ তল্লাশি অভিযানে নেমেছে। তবে এখন একটাই প্রশ্ন উঠছে যে, শুধুমাত্র এক্ত পানের দোকানদারকে মারধরের কারণে এই ঘটনা নাকি এর পিছনে অন্য কোনও রাজনৈতিক সমীকরণ রয়েছে? স্থানীয়রা জানান, কাশীপুরের এই নির্দিষ্ট এলাকা এখন প্রমোটারদের স্বর্গ হয়ে উঠেছে। বিশিষ্ট মহলের দাবি, টাকা পয়সার ভাগাভাগি নিয়েই এই ঘটনা ঘটেছে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here