news sports

মহানগর ওয়েবডেস্ক: পাকিস্তানের সর্বকালের সেরা ব্যাটসম্যানদের তালিকায় অবশ্যই আসবে ইনজামাম-উল-হকের নাম। প্রাক্তন পাক অধিনায়ক এক সময়ে দাপটের সঙ্গে বাইশ গজ শাসন করতেন। ৩৭৮ ওয়ানডে ম্যাচ ও ১২০ টেস্টে ইনজি করেছেন ১১৭৩৯ ও ৮৮৩০ রান। কিন্তু কেরিয়ারে একটা সময় তাঁকে শর্ট বল রীতিমতো ভুগিয়েছিল। ভীতি হয়ে গিয়েছিল ইনজির কাছে। তিনি জানিয়েছেন যে, কিংবদন্তি সুনীল গাভাস্কর তাঁকে এই নিয়ে একটাই পরামর্শ দিয়েছিল। আর সেটা শুনেই বাজিমাত করেছিলেন তিনি। এরপর থেকে অবসরের শেষ দিন পর্যন্ত ইনজিকে এই শর্ট বল নিয়ে আর ভাবতে হয়নি।

নিজের ইউটিউব চ্যানেলে ইনজি বলছেন, “১৯৯২ বিশ্বকাপে অসাধারণ সাফল্যের পরেই ইংল্যান্ড সফরে গিয়েছিলাম আমরা। সবারই ছিল আমার প্রথম ইংল্যান্ড সফর। ওখানের পিচে কীভাবে খেলতে হবে সেই সম্পর্কে আমার কোনও ধারনাই ছিল না। খুব খারাপ সময়ের মধ্যে দিয়ে যাচ্ছিলাম। শর্ট-পিচড ডেলিভারি একেবারেই খেলতে পারছিলাম না।”

ইনজি জানিয়েছেন যে, সেই সময় ইংল্যান্ডে এক চ্যারিটি ম্যাচে সুনীল গাভাস্করের সঙ্গে দেখা হয় তাঁর। সেখানেই লিটল মাস্টারকে নিজের সমস্যার কথা খুলে বলেন ইনজি। পরামর্শ চান দেশের প্রাক্তন অধিনায়কের কাছে। ইনজি বলেছেন, “তখন মরসুমের মাঝামাঝি সময় ছিল। ইংল্যান্ডে এক চ্যারিটি ম্যাচে আমি আর গাভাস্কর দু’জনেই খেলি। তখন সুনীল ভাইকে বলি যে, আমার শর্ট পিচড বল খেলতে খুব সমস্যা হচ্ছে। আমার কী করণীয়? গ্রেটদের তো বাতলে দেওয়া রাস্তাও গ্রেট হয়। গাভাস্কর আমাকে শুধু একটাই ছোট্ট কাজ করতে বলরন। শর্ট পিচড ডেলিভারি বা বাউন্সার নিয়ে ব্যাটিংয়ের সময় বিন্দুমাত্র ভাবতে বারণ করেন। জানান যে, ব্যাটিংয়ের সময় এগুলোর কথা ভাবলে ফাঁদে পড়ে যাব। আরও বলেছিলেন যে, বাউন্সার আসলে নিজে থেকেই ধরতে পারবে সঙ্গে সঙ্গে। ফলে এই নিয়ে চিন্তা করার কিছুই নেই।”

ইনজি আরও বলেছেন যে, গাভাস্কারের কথা শুনেই তিনি নেটে খাটতে শুরু করেন ইনজি। মানসিক জোর বাড়ানোয় আর কোনও দিনই সমস্যায় পড়তে হয়নি তাঁকে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here