kolkata bengali news

মহানগর ওয়েবডেস্ক: বহু প্রত্যাশা জাগিয়েও শেষ মুহূর্তে যান্ত্রিক সমস্যার কারণে বাতিল হয়ে গিয়েছিল ভারতের সবচেয়ে বৃহৎ মহাকাশ অভিযান, চন্দ্রাভিযান। চন্দ্রযান-২ বহনকারী GSLV Mk-III (বাহুবলী) রকেটে গোলযোগের কারণে ১৫ জুলাই শেষ মুহূর্তে এসে থমকে যায় উৎক্ষেপণ। কিন্তু আজ ইসরোর তরফ থেকে জানানো হয়েছে, বিজ্ঞানীরা গোলযোগ সমাধান করে ফেলেছেন এবং চলতি মাসের শেষের দিকেই ফের একবার চন্দ্রযান-২ উৎক্ষেপণ করা হবে।

রবিবার মধ্যরাতে ২ টো ৫১ মিনিট নাগাদ শ্রীহরিকোটার সতীশ ধাবান স্পেস রিসার্চ সেন্টার থেকে ‘বাহুবলী’ এর দেশের মাটি ছাড়ার কথা ছিল। সেই মতোই চলছিল তোড়জোড়। শুরু হয়েগিয়েছিল কাউন্ট ডাউনও। কিন্তু অভিযানের যাওয়ার ঠিক ৫৬ মিনিট আগে থমকে যায় রথ। ইসরোর তরফে জানিয়ে দেওয়া হয়, যান্ত্রিক গোলযোগের কারণে অভিযান রোধ করা হয় চন্দ্রযান-২ এর।

এই অভিযানের লক্ষ্য হল চাঁদের বুকে (উত্তর মেরুতে) একটি মুনরোভার (চন্দ্রযান) ল্যান্ড করানো। উল্লেখ্য, এর আগে ‘চন্দ্রযান-১’ মিশনের মাধ্যমে ভারতই প্রমাণ করেছিল যে, চাঁদের বুকেও জল আছে। আর এবারই প্রথম চাঁদের বুকে একটি মুনরোভার নামানোর চেষ্টা করবে ভারত। এই কাজে ইসরোর বিজ্ঞানীরা যদি সফল হন তাহলে, বিশ্বের চতুর্থ দেশ হিসেবে এই নজির গড়বে ভারত।

এই ‘চন্দ্রযান-২’ অভিযানের বেশ কিছু বৈশিষ্ট্য রয়েছে। এই অভিযানে একই সঙ্গে একটি ল্যান্ডার, একটি রোভার ও একটি অরবিটার ব্যবহার করা হবে। উৎক্ষেপণের পরে ‘চন্দ্রযান-২’ উপগ্রহকে প্রথমে চাঁদের কক্ষপথে প্রতিস্থাপন করা হবে। এখানে ১৭ দিন থাকার পর এতই ধীরে ধীরে চাঁদের পরিধির দিকে এগোবে। চাঁদের মাটি থেকে ১০০ কিমি ওপরে ওই উপগ্রহের অরবিটার চাঁদের পরিধির চারপাশে পাক খাওয়া শুরু করবে। তারপর আশা করা হচ্ছে ৬ সেপ্টেম্বর মুনরোভার ও ল্যান্ডারটি চাঁদের পৃষ্ঠে অবতরণ করবে। ওই মুনরোভারটির নাম প্রজ্ঞান ও ল্যান্ডারটির নাম বিক্রম।

 

 

 

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here