bengali news

Highlights

  • রত্না পাঠক সাহ বর্তমানের যুব সমাজকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন এআরসি ও সিএএ নিয়ে আন্দোলন দেখানোর জন্য
  • নাসিরুদ্দিনে শাহের পাশাপাশি রত্নাও সিএএ ও এনআরসি আইন নিয়ে বর্তমান শাসকদলের বিরুদ্ধে তীব্র বিরোধ জানিয়েছেন
  • কিছু মানুষ শুধু চাইছে দেশটা কীভাবে ভেঙে দেওয়া যায়, দাবি রত্নার

মহানগর ওয়েবডেস্ক: সিএএ ও এনআরসি নিয়ে বলিউডের যে প্রথম সারির শিল্পীরা প্রথম আন্দোলন শুরু করেন তাঁদের মধ্যে রত্না পাঠক শাহ অন্যতম। নাসিরুদ্দিনে শাহের পাশাপাশি রত্নাও সিএএ ও এনআরসি আইন নিয়ে বর্তমান শাসকদলের বিরুদ্ধে তীব্র বিরোধ জানিয়েছেন। এই আইন প্রসঙ্গে কথা বলতে গিয়ে গত রবিবার রত্না জানান, ”বর্তমানে আমার দেখে মনে হচ্ছে কিছু মানুষ ভারতকে ভেঙে দু-টুকরো করে দিতে চাইছে।”

গত রবিবার ইন্ডিয়া মাই ভ্যালেন্টাইন অনুষ্ঠানের মঞ্চে আবারও সিএএ ও এনআরসি আইনের বিরুদ্ধে তোপ দাগতে দেখা গিয়েছে রত্না পাঠক শাহকে। স্বনামধন্য অভিনেত্রী ও নাট্যব্যক্তিত্ব রত্না তাঁর জন্মের সময়ের ভারত ও বর্তমান পরিস্থিতির কথা বিচার করতে গিয়ে বলেন, ”আমি ৬০-৭০ দশকে বড় হয়েছি। সেই সময়টা চমৎকার ছিল, তখন সকলেই ভারতের উন্নতির কথা ভাবত। কীভাবে দেশটা এগোবে সেটা নিয়ে চিন্তাভাবনা করতেন। কীভাবে দেশের ভালো হবে, সাধারণ মানুষদের ভালো হবে। দেশটা কীভাবে সাজালে উন্নতি হবে, সেটা নিয়েই ভাবতে ব্যস্ত ছিল সবাই। পারিবারিক সূত্রে সকলেই আমরা শিল্প-কলার সঙ্গে যুক্তছিলাম, তাই সারাদিন এইসব বিষয় নিয়েই আলোচনা করতাম। দেশের জন্য কোন ধরনের নাটক বানালে উপকার হবে? বিশ্বের কাজে নতুন কী প্রদান করব? কী বিষয়ের উপর নতুন নাটক লেখা উচিত আমাদের?”

রত্না আরও জানান, ”তখনকার দিনেও বিশৃঙ্খল পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে, কিন্তু এখন সেই সময়াটাই বদলে গিয়েছে। এখন পরিস্থিতিটা অত্যন্ত সংকটজনক। তখনকার দিনে আমরা দেশ কীভাবে গড়ব সেটা নিয়েই ভাবতাম। কিন্তু এখন মানুষের সেই বিষয় নিয়ে কোনও চিন্তাভাবনা নেই, এখন কিছু মানুষ শুধু চাইছে দেশটা কীভাবে ভেঙে দেওয়া যায়। এটাই গণ্ডগোলের মূল সূত্র।” রত্না পাঠক সাহ বর্তমানের যুব সমাজকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন তাঁদের পদক্ষেপের জন্য।

অভিনেত্রী জানিয়েছেন, ”শাহিনবাগ হোক কিংবা মুম্বইবাগ গোটা দেশেই এই আন্দোলন আমাদের ছড়িয়ে দিতে হবে। আজ আমি যা দেখছি, যা ঘটছে আমার চারিদিকে, যুবসমাজ যা করছে, সেটা আমাদের মনে আশা জাগিয়ে তুলেছে। এর আগে যুবসমাজ কিংবা শিক্ষিত মানুষেরা এইভাবে একসঙ্গে বিরোধ করতে দেখা যায়নি, যেটা আজ হচ্ছে খুবই ভালো লাগছে দেখে। এটাই ভারতের ক্ষেত্রে খুবই ভালোদিক। শাহিনবাগ কিংবা মুম্বইবাগে ব্যাপারটি সীমাবদ্ধ নেই এটা খুবই ভালো বার্তা দিচ্ছে সমাজকে। তবে আমি আশা করব বিশৃঙ্খল পরিস্থিতির মাধ্যমে নয় গান-বাজনা, নাটক ও শিল্পের মাধ্যমে এই আন্দোলনটাকে জিইয়ে রাখা হয়।”

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here