Parul

মহানগর ডেস্ক: ক্লাবের ভালো এবং খারাপ উভয় সময়ে থেকেছেন জর্ডন হেন্ডারসন। অধিনায়কের ভূমিকা পালন করেছেন নিপুণভাবে। তবু তাঁর সঙ্গে ক্লাবের পথ চলা আরও দীর্ঘায়িত হবে কি না, সে ব্যাপারে এখনও পর্যন্ত নেই কোনও নিশ্চয়তা। ইউরো চ্যাম্পিয়নশিপ শেষে আপাতত পরিবারের সঙ্গে সময় কাটাচ্ছেন তিনি। কিন্তু তাঁকে ঘিরে ক্রমে জমা হচ্ছে প্রশ্নের পর প্রশ্ন।

ads

সম্প্রতি সময়ের অন্যতম সেরা স্কোয়াড পেয়েছেন লিভারপুল সমর্থকরা। ফুটবলারদের অনেকেরই চুক্তি শেষ হবে আগামী দু-এক বছরের মধ্যে। সাদিও মানে, মহম্মদ সালাহ, ভার্গিল ভ্যান জিক, দুই ব্রাজিলিয় ফাবিনহো এবং গোলরক্ষক অ্যালিসনের ব্যাপারে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিতে হবে ক্লাবকে।

বিভিন্ন ক্রীড়া সংবাদমাধ্যমের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে এই তারকাদের সঙ্গে কথা শুরু করেছে লিভারপুল কর্তৃপক্ষ। এনাদের প্রত্যেকের চুক্তি শেষ হচ্ছে ২০২৩ সালে। যুরগেন ক্লপ-ও চাইছেন তাঁর এই ছাত্ররা থাকুক লিভারপুলে। রবার্টসন এবং ট্রেন্ট আর্নোল্ডের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য এই একই কথা। চুক্তি নবীকরণ করতে ফেনওয়ে স্পোর্টস গ্রুপকে যে বেশ মোটা অঙ্কের অর্থ ব্যয় করতে হবে তা বলাই বাহুল্য।

লিভারপুলের হয়ে বহু যুদ্ধের সৈনিক হেন্ডারসন। তাঁর সঙ্গেও কথা শুরু করেছে ক্লাব। কিন্তু আলোচনা যে খুব একটা ইতিবাচক হয়েছে এমনটা এখনই বলছেন না আন্তর্জাতিক ক্রীড়া সাংবাদিকরা। বরং দু’পক্ষের মধ্যেই নাক সিঁটকানোর ব্যাপার লক্ষ্য করা গিয়েছে বলে কানাঘুষো। ৩১ বছরে পা দিয়েছেন হেন্ডারসন।

বয়স এবং ফর্মের নিরিখে হয়তো সেরা সময়টা পেরিয়ে এসেছেন ইতিমধ্যে। কর্তৃপক্ষ এবং ফুটবলার দু’দিকেই নিশ্চই কাজ করছে এই ভাবনা। কম বয়সী তারকাদের জন্য ঢালাও অর্থ বরাদ্দ করার পর ৩১ বছর বয়সীর জন্য মালিকপক্ষ কতোটা এগোবেন সে ব্যাপারে প্রশ্ন থাকছে। জর্জিনহো উইজনাল্ডামের ক্ষেত্রেও দেখা গিয়েছিল এমন পরিস্থিতি। আবারও একই ঘটনার পুনরাবৃত্তি হয় কি না সে দিকে তাকিয়ে ক্লাব এবং ফুটবল ভক্তরা।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here