শাসনে ভাঙচুর ও বোমাবাজির ঘটনায় গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের অভিযোগ ওড়ালেন জ্যোতি

0
114

নিজস্ব প্রতিবেদক, বারাসত:  উত্তর ২৪ পরগণার শাসন থানার খামার নাওবাদ গ্রামে তৃণমূলের গোষ্ঠীদ্বব্দ্বে পুলিশের গাড়ি ভাঙচুর ও বোমাবাজির ঘটনায় গ্রেফতার করা হয় তিন জনকে। ধৃতদের বারাসাত আদালতে তোলা হলে তাদের ৪ দিনের জেল হেফাজতের নির্দেশ দেন বিচারক৷ ঘটনায় প্রতিক্রিয়া দিতে গিয়ে দোষ্ঠীদ্বন্দ্বের অভিযোগ ওড়ালেন উত্তর ২৪ পরগণার তৃণমূলের জেলা সভাপতি তথা রাজ্যের খাদ্যমন্ত্রীর জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক৷ বললেন, ঘটনায় আমাদের দলের কেউ যুক্ত নয়, শাসনে সবকটি গ্রাম পঞ্চায়েতই তৃণমূলের দখলে, তাই সেখানে নিজেদের মধ্যে লড়াই করার কোনও কারণ নেই৷ বিজেপি কংগ্রেস, সিপিএমকে সঙ্গে নিয়ে ভেড়ি দখল করতে চাইছে আর তৃণমূলের নামে বদনাম রটাচ্ছে৷

উল্লেখ্য, শনিবার রাতে ফের উত্তপ্ত হয়ে ওঠে উত্তর ২৪ পরগনার শাসন। শাসকদলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের তেতে ওঠে শাসনের খামার নাওবাদ গ্রাম। পুলিশ জানায়, খামার নাওবাদ গ্রামের বর্তমান সভাপতি মসিয়ারের রহমান ও প্রাক্তন সভাপতি সফিকুলের ইসলাম ও তাদের সমর্থকদের মধ্যেই সংঘর্ষ বাধে। পুলিশের গাড়িতেও ভাঙচুর চালানোর অভিযোগ রয়েছে। ঘটনাটি শনিবার রাতে ঘটলেও রবিবারও তার রেশ রয়েছে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, মসিয়ারের রহমান ও সফিকুলের ইসলাম-দুজনেই তৃণমূলের। কিন্তু এলাকার দখলদারি নিয়ে দু’জনের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরেই বিবাদ রয়েছে। শনিবার রাতে তাদের বিবাদ চরমে ওঠে। মসিয়ার ও সফিকুলের অনুগামীদের মধ্যেও তীব্র গণ্ডগোল শুরু হয়। তারপর রাত নটা নাগাদ মসিয়ারের নেতৃত্বে তাঁর অনুগামীরা ইসলামকে কুড়ি থেকে পঁচিশটি বোমা ছোড়ে এবং সাত থেকে আট রাউন্ড গুলি চালায় বলে অভিযোগ। খবর পেয়েই শাসন থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে যায়। তখন মসিয়ারের অনুগামীরা পুলিশের একটি গাড়ি ভাঙচুর করে বলেও অভিযোগ। এরপর জেলা পুলিশের উচ্চপদস্থ কর্তা সহ বিশাল পুলিশ বাহিনী ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। তবে এই ঘটনার প্রেক্ষিতে এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়েছে। তবে ওই ঘটনায় হতাহতের কোনও খবর নেই। এখনও পর্যন্ত কেউ গ্রেফতারও হয়নি।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here