bengali news

Highlights

  • আয়ের নিরিখে ৩০০ কোটির ব্যবসা করে শাহিদের ‘কবীর সিং’
  • মানুষ চাইলেই কবীর সিং-এর মতো নাও হতে পারেন মন্তব্য বিদ্যা বালনের
  • ব্যবসার নিরিখে বক্স অফিসে ভালো ফল করলেও সমালোচকদের কলমে সমালোচিত হয়েছে শাহিদের ‘কবীর সিং’

মহানগর ওয়েবডেস্ক: ২০১৯ সালটা ছিল শাহিদ কাপুরের। বলিউডের বক্স অফিসে মুক্তি পায় তাঁর অভিনীত ‘কবীর সিং’। তেলেগু সুপারহিট সিনেমা ‘অর্জুন রেড্ডি’ হিন্দি রিমেক ছিল ‘কবীর সিং’। আয়ের নিরিখে ৩০০ কোটির ব্যবসা করে শাহিদের এই সিনেমাটি। ব্যবসার নিরিখে বক্স অফিসে ভালো ফল করলেও সমালোচকদের কলমে সমালোচিত হয়েছে শাহিদের ‘কবীর সিং’। মদ খাওয়া, নেশা করা এইসব দৃশ্যের কড়া সমালোচনাও করতে দেখা গিয়েছে সিনেমা সমালোচকদের। যদিও এই সিনেমাটি কোনও অংশেই বাস্তব সমাজকে তোল্লাই দেয় না। এমনটাই মত বিদ্যা বালনের।

৪১ বছরের অভিনেত্রী এমনটাই জানিয়েছেন এক সাক্ষাৎকারে। বিদ্যা জানিয়েছেন, ”সিনেমাটি কিন্তু কবীর সিং চরিত্রটাকে মহিমান্বিত করে না। হতে পারে সিনেমার গল্পটায় ভুল আছে, চরিত্রটা অন্যভাবেও দেখানো যেত। তবে সিনেমাটিকে নিয়ে এতটা সমালোচনাও করা উচিত হয়নি। আমি দেখেছিলাম যখন সিনেমাটি মুক্তি পায় তখন অনেকেই প্রশ্ন তোলেন কবীর সিং কীভাবে মেয়েদের অসম্মান করছেন। এত খারাপ ভাষা কেন ব্যবহার করছে, এইসব শুনতে হয়েছে পরিচালক-প্রযোজকদের। যদিও আমারও এই সিনেমার ট্রেলার দেখে এমনটাই মনে হয়েছিল। কিন্তু সিনেমাটি দেখার পর আমার কোনওমতেই মনে হয়নি শাহিদ চরিত্রটাকে মহিমান্বিত করেছে। আপনারা নিজেরাই ভেবে দেখুন, আমাদের সমাজেই এইরকমের কবীর সিং চারিদিকেই রয়েছে। ভারতে কবীর সিং-এর মতো ছেলের কোনও অভাব নেই। তাই আমার কাছে সিনেমাটি কোনও অংশেই খারাপ বলে মনে হয়নি।” যদিও বিদ্যা জানিয়েছেন এখন তিনি অনেকটাই পরিণত, তাই প্রত্যেকটা সিনেমার চরিত্র নিয়ে পড়াশুনা করে তারপরেই সমালোচনা করেন তিনি।

বিদ্যার দাবি, ”কখনও ভালো না লাগলেও কিছু সিনেমা দেখে ফেলি। কিন্তু হঠাৎ করেই সমালোচনা করিনা আমি। কারণ এতবছরে একটা অভিজ্ঞতা হয়েছে আমার। আগে খারাপ-ভালো বলেই কাটিয়ে দিতাম। কিন্তু এখন আগে সিনেমার গল্পটা বুঝি আমি, আপনি চাইলে কবীর সিং-এর রিভিউটাও লিখে দিতে পারি আমি।” তিনি আরও জানান, ”মানুষ চাইলেই কবীর সিং-এর মতো নাও হতে পারেন। প্রত্যেকটা মানুষের কাছে এই নির্বাচনটা রয়েছে। মানুষ চাইলেই ওই চরিত্রটার মত নাও হতে পারে। আর সিনেমা দেখার কথা বললে, আমি বলব, কবীর সিং দেখা উচিত। এমনকি প্রত্যেকটা সিনেমাই আমাদের দেখা উচিত।”

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here