হঠাৎ মোদী সাক্ষাতে কেন! রাজীব জল্পনা বাড়িয়ে মমতাকে প্রশ্ন কৈলাসের

0
633

মহানগর ওয়েবডেস্ক: রাজীব গ্রেফতার হওয়ার সম্ভাবনা প্রবল ভাবে মাথাচাড়া দিয়ে ওঠার পর মঙ্গলবার দেশের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সাক্ষাতে ছুটেছেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর হঠাৎ এই সফরকে কেন্দ্র করে রীতিমতো জল্পনা চড়েছে রাজ্য রাজনীতিতে। তৃণমূলের অন্দরেও গুঞ্জন উঠেছে রাজীবকে ঠেকাতেই প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাতে দিল্লি ছুটেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। আর সেই জল্পনাকে আরও উস্কে কেন্দ্রীয় বিজেপি নেতা জানিয়ে দিলেন, বারবার ডাকা সত্ত্বেও যে কেন্দ্রের একাধিক বৈঠকে উপস্থিত থাকেননি তার হঠাৎ এই সফরে প্রশ্নতো উঠবেই।

মঙ্গলবার সংবাদ মাধ্যমের সামনে দাঁড়িয়ে রাজ্যের বিজেপি পর্যবেক্ষক কৈলাস বিজয়বর্গীয় বলেন, ‘রাজীব কুমার যদি সিবিআইয়ের হাতে গ্রেফতার হন তবে তাঁর কাছ থেকে যে তথ্য উঠে আসবে তাতে রাজ্যের অর্ধেক মন্ত্রীকেই কাঠগড়ায় দাঁড়াতে হবে।’ এরপরই মোদীর সাক্ষাৎ ইস্যুতে তিনি বলেন, ‘হঠাৎ উনি নরেন্দ্র মোদীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে ছুটলেন। অথচ এর আগে একাধিক বৈঠকে তাঁকে বার বার ডাক পাঠানো সত্ত্বেও আসেননি তিনি। এমনকি নীতি আয়োগের মতো বৈঠকেও তিনি যোগ দেননি। ফলে হঠাৎ এখন প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে তাঁর বৈঠক ঘিরে প্রশ্নতো উঠবেই।’ তবে কৈলাসের এহেন মন্তব্যকে একহাত নিতে ছাড়েননি কলকাতার মেয়র ফিরহাদ হাকিম। তিনি বলেন, ‘রাজনৈতিক লোক সিবিআই ইডিকে নিয়ন্ত্রণ করছে। এবং বিজেপি অফিস থেকেই যে গোটাটা নিয়ন্ত্রিত হচ্ছে তা ওর কথাতেই স্পষ্ট।’

উল্লেখ্য, একদিকে সিবিআই হন্যে হয়ে খুঁজছে প্রাক্তন নগরপাল রাজীব কুমারকে। অন্যদিকে আচমকাই ‘রাজ্য সরকারের দাবি-দাওয়া’ নিয়ে দিল্লি উড়ে গিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। আপাতভাবে এই দুই ঘটনার কোনও যোগসূত্র নেই, কিন্তু কোথাও গিয়ে একটা সন্দেহের গন্ধ ঠেকেছে রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মনে। তবে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, ‘আমি তো ৩৬৫ দিনই কলকাতায় থাকি। কোথাও তো যাই না। কিন্তু যেহেতু একটা দায়িত্বে আছি, রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী, সংসদ সব দিল্লিতে রয়েছে; তাই রাজ্যের কাজে কখনও কখনও যেতে হয়। এবার আমি যাচ্ছি কারণ রাজ্যের ব্যাপারে আমার কিছু টাকা পাওনা আছে। এছাড়া ব্যাঙ্ক, রেল, এয়ার ইন্ডিয়া, বিএসএনএল এগুলোতে অনেক প্রবলেম আছে। সুযোগ পেলে এদের কথাগুলো বলতে পারব। আমার রাজ্যের নাম পরিবর্তনের ব্যাপারটাও আছে। এ নিয়ে এত আলোচনার কী আছে।’

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here