মহানগর ওয়েবডেস্ক: সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে আজ বিকেলেই মধ্যপ্রদেশ বিধানসভায় আস্থাভোট হওয়ার কথা রয়েছে। তবে কমলনাথ যতই বলুন না তিনি, তাঁর সরকার টিকিয়ে রাখার সম্ভাবনা অত্যন্ত কম। হয়তো তিনি পারবেন না, এমনটাই আশঙ্কাই প্রকাশ করলেন বর্ষীয়ান কংগ্রেসের নেতা দিগ্বিজয় সিং। কংগ্রেসের অন্তর্বর্তী সূত্র জানাচ্ছে, হার স্বীকার করে আগেই মুখ্যমন্ত্রীর পদ থেকে ইস্তফা দিয়ে দিতে পারেন কমলনাথ।

শুক্রবার সংবাদ মাধ্যমের সামনে দিগ্বিজয় সিং স্বীকার করে নেন যে আস্থাভোটে সংখ্যাগরিষ্ঠতা প্রমাণের জন্য যথেষ্ট বিধায়ক তাঁদের হাতে নেই। তিনি বলেন, ‘২২ বিধায়কের ইস্তফা গৃহীত হয়ে যাওয়ায় কমল নাথ সরকারের কাছে যথেষ্ট সংখ্যক বিধায়ক নেই। আমার মনে হয় না কমল নাথ সরকার টিকতে পারবে।’ তবে বিজেপির বিরুদ্ধে তোপ দেগে তিনি বলেছেন, ‘টাকা এবং ক্ষমতার জোরে সংখ্যাগরিষ্ঠ সরকারকে সংখ্যালঘু করে দেওয়া হয়েছে।’ মূলত জ্যোতিরাদিত্য সিন্ধিয়া কংগ্রেস ছাড়ার পর যে সংকট ও রাজনৈতিক টানাপড়েন মধ্যপ্রদেশে দেখতে পাওয়া গিয়েছিল তারই যবনিকা এদিন পতন হতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।

প্রসঙ্গত, মধ্যপ্রদেশ সংকট নিয়ে বিজেপির দায়ের করা মামলার পর কংগ্রেস বিধায়কদের অপহরণ করা হয়েছে এই অভিযোগে শীর্ষ আদালতের কাছে মামলা দায়ের করেছিল কংগ্রেস। তবে সে অভিযোগ ধোপে টেকেনি আদালতে। শুনানি চলাকালীন বিধায়কদের ইস্তফা খতিয়ে দেখার জন্য আদালতের কাছে ২ সপ্তাহের সময় চায় কংগ্রেস। কিন্তু তাদের সে আবেদন এদিন মঞ্জুর করেনি আদালত। উল্টে বিক্ষুব্ধ বিধায়কদের সঙ্গে স্পিকারের যোগাযোগ স্থাপনের জন্য একজন পর্যবেক্ষক নিয়োগ করার নির্দেশ দেয় আদালত।

যদিও স্পিকারের দাবি ছিল, বিধায়করা যদি স্বশরীরে এসে ইস্তফা দেন তাহলেই ইস্তফা গ্রহণ করবেন তিনি। আদালতের এই নির্দেশে এবার সাক্ষাৎ ছাড়াই ইস্তফা গ্রহণ করতে বাধ্য হবেন মধ্যপ্রদেশের স্পিকার। এক্ষেত্রে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমেও স্পিকারের সঙ্গে যোগাযোগের কথা বলা হয় আদালতের তরফে। ফলস্বরূপ বিক্ষুব্ধ বিধায়করা এই পন্থায় নিজেদের ইস্তফা পেশ করেন এবং তা গ্রহণ করতে বাধ্য হন স্পিকার।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here