kamal nath

মহানগর ওয়েবডেস্ক: হার নিশ্চিত বুঝতে পেরে আর আস্থা ভোটে গেলেন না মধ্যপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী কমল নাথ। এদিন ভোপালে এক সাংবাদিক বৈঠক করে মুখ্যমন্ত্রী পদ থেকে ইস্তফা দিয়ে দিলেন তিনি। ফলে ভোটে জয়লাভ করে আসা সংখ্যাগরিষ্ঠ সরকারের পতন হল দেড় বছরের মধ্যেই। জ্যোতিরাদিত্য সিন্ধিয়া ২২ বিক্ষুব্ধ বিধায়ক সহ দল ছাড়তেই হাত শিবিরে নেমে এল এই বিপর্যয়। এদিন দুপুর একটায় তিনি রাজ্যপালের কাছে নিজের ইস্তফা পেশ করবেন বলে জানা গিয়েছে।

সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে এদিন বিকেলেই আস্থা ভোট অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ছিল মধ্যপ্রদেশে। তবে কংগ্রেসের হাতে যে যথেষ্ট সংখ্যক বিধায়ক নেই তা আগেই স্পষ্ট হয়ে গিয়েছিল। সেই কারণে আস্থা ভোটে গিয়ে আর নাক কাটাতে চাননি কমল নাথ। এদিন ইস্তফা দেওয়ার কথা ঘোষণার সময় তিনি কেবল বলেন, ‘আমার কী ছিল বলুন? বিজেপি রাজ্যটার উন্নতি করার করার জন্য ১৫ বছর সময় পেয়েছিল কিন্তু কিছু করেনি। আমি মাত্র ১৫ মাস পেয়েছিলাম। যার মধ্যে দু’মাস আবার লোকসভা নির্বাচনের কারণে আদর্শ আচরণবিধি লাগু করা হয়েছিল।’ কিন্তু, তাঁর বিরুদ্ধে প্রথম থেকেই বিজেপি ষড়যন্ত্র করে এসেছিল বলে দাবি করেন কমল নাথ।

বিদায়ী মুখ্যমন্ত্রীর কথায়, ‘তিনবার আমার সরকার বিধানসভায় সংখ্যাগরিষ্ঠতা প্রমাণ করেছিল। বিজেপির এটা সহ্য হল না। তাই মহারাজ (জ্যোতিরাদিত্য সিন্ধিয়া) ও তাঁর ২২ জন লোভী বিধায়ক মিলে আমার সরকার ফেলে দিল।’ মধ্যপ্রদেশের মানুষ এই ধরনের ক্ষমতালোভী মানুষদের কখনও ক্ষমা করবে না বলেও দাবি করেন কমল নাথ। বিক্ষুব্ধ বিধায়করা তাঁর সঙ্গে নয়, মধ্যপ্রদেশের মানুষের সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা করেছে বলে দাবি করেন বিদায়ী মুখ্যমন্ত্রী।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here