মহানগর ডেস্ক: কেরলে করোনা সংক্রমণ উল্লেখযোগ্য হারে বাড়তে থাকায় কেরল-কর্ণাটক সীমান্তে ওয়ানাদ এবং কসারাগড জেলার ১৩টি গুরুত্বপূর্ণ প্রবেশপথ বন্ধ করল কর্ণাটক সরকার। যার জেরে প্রবল বিপাকে পড়েছে কেরল সরকার। এমতাবস্থায় কেরল-কর্ণাটক সীমান্তের প্রবেশপথ খুলে দেওয়ার আর্জি জানিয়ে প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ চেয়ে চিঠি লিখলেন কেরলের মুখ্যমন্ত্রী পিনারাই বিজয়ন।

প্রধানমন্ত্রীকে উদ্দেশ্য করে এদিন তিনি লেখেন,’ কেরল-কর্ণাটক সীমান্ত বন্ধের জেরে প্রবল অসুবিধার মধ্যে পড়েছে সাধারণ মানুষ। ব্যাহত হচ্ছে জরুরি পরিষেবা। চিকিৎসার জন্য যারা কেরল থেকে কর্ণাটক যাচ্ছেন, তাদের অকারণে দুর্ভোগ সহ্য করতে হচ্ছে।’ সাধারণ মানুষের কষ্ট লাঘব করতে যাতে অবিলম্বে সীমান্তের প্রবেশপথ খুলে দেওয়া হয় তার জন্য প্রধানমন্ত্রীর কাছে আর্জি জানান তিনি।

বিগত একসপ্তাহ ধরে মহারাষ্ট্র এবং কেরলে করোনা সংক্রমণ যেভাবে বাড়তে শুরু করেছে, তা নিয়ে মহারাষ্ট্র সরকারকে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করতে দেখা গেলেও সেইভাবে কোনও পদক্ষেপ নিতে দেখা যায়নি কেরলের মুখ্যমন্ত্রী পিনারাই বিজয়নকে। অন্যদিকে কেরলে করোনার গ্রাফ বাড়তে থাকায় একাধিক গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপের পাশাপাশি সীমান্তের প্রবেশপথ বন্ধেরও সিদ্ধান্ত নেয় কর্ণাটক সরকার।

অন্যদিকে মহারাষ্ট্র ও কেরল সহ বেশ কিছু রাজ্যে নতুন করে করোনা সংক্রমণ বৃদ্ধির জেরে করোনার দ্বিতীয় ঢেউ বাংলাতেও আছড়ে পড়তে পারে বলে মনে করছেন চিকিৎসকদের একাংশ। কেরল, মহারাষ্ট্র সহ প্রায় সমস্ত রাজ্যের সঙ্গেই সড়ক, রেল, এবং আকাশপথে যোগাযোগ রয়েছে বাংলার। এই প্রেক্ষিতে যদি এখন থেকেই অতিরিক্ত সতর্কতা অবলম্বন না করা হয়, তাহলে কেরল, মহারাষ্ট্রের মতো বাংলাকেও ফল ভোগ করতে হবে বলে মনে করছেন চিকিৎসকরা।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here