ডেস্ক: রীতিমতো যুদ্ধ করে কর্ণাটকে কংগ্রেস ও জেডিইউ জোট সরকার গঠন করলেও। জোট সরকারের অন্দরে ক্রমশ প্রকট হচ্ছে কলহ। কুমারস্বামী মুখ্যমন্ত্রী হলেও বাকি সব দপ্তরগুলিতে কারা কারা মন্ত্রীত্ব পাবেন তা নিয়ে শুরু দ্বন্দ্ব। কর্ণাটকে কুমারস্বামীর দল জেডিএস চাইছে না অর্থদপ্তরের মতো একটি গুরুত্বপূর্ণপদ কংগ্রেসের হাতে যাক। এদিকে অর্থদপ্তর পেতে মরিয়ে কংগ্রেসও।

জানা গিয়েছে, অর্থদপ্তর নিজেদের দখলে রাখার জন্য দিল্লিতে কংগ্রেস নেতা গুলাম নবি আজাদের বাসভবনে টানা ৩ ঘন্টার বৈঠকে বসেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী কুমারস্বামী। কিন্তু কুমারস্বামীর সেই প্রস্তাব মানতে চায়নি কংগ্রেস। ঘুরিয়ে এটাও জানিয়ে দেওয়া হয়েছে সবচেয়ে বেশী আসন পাওয়ার সুবাদে অর্থদপ্তর রাখা হবে কংগ্রেসের হাতেই। দীর্ঘ এই বৈঠকে আশানুরুপ কোনও ফল না মেলায় জেডিএস প্রধান দেবগৌড়ার সঙ্গে আলোচনার পর নিজেদের সিদ্ধান্ত তাঁরা কংগ্রেসকে জানাবেন বলে জানিয়েছেন কুমারস্বামী। এদিকে কংগ্রেসের তরফে জানানো হয়েছে, এই বিষয়ে চুড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবেন কংগ্রেস সভাপতি রাহুল গান্ধী।

কর্ণাটকের মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার জন্য কংগ্রেসের কাছে একাধিকবার কৃতজ্ঞতা স্বীকার করলেও, কাজের ক্ষেত্রে সমস্ত গুরুত্বপূর্ণ পদগুলি নিজেদের দখলে রাখতে চাইছে জেডিএস। সেই তালিকায় আছে পূর্ত, বিদ্যুৎ সহ একাধিক গুরুত্বপূর্ণ দপ্তর। সঙ্গে অর্থদপ্তরও নিজেদের দখলে নিতে চাইছেন কুমারস্বামী। এদিকে, কর্ণাটকের ইতিহাস বলছে দক্ষিনী এই রাজ্যে জোট সরকারে সর্বদা অর্থদপ্তর হাতে পেয়েছে উপমুখ্যমন্ত্রী। তবে সেই অলিখিত নিয়মের গণ্ডি কাটিয়ে অর্থদপ্তর নিজেদের হাতে নিতে চাইছে জেডিএস। যা নিয়ে কংগ্রেস ও জেডিএসের মধ্যে শুরু হয়েছে মনোমালিন্য। এখন দেখার, সমস্যা কাটিয়ে কর্ণাটকের অর্থভার কারা গ্রহণ করে। মঙ্গলবার এই সমস্যার একটি রফাসুত্র বের হতে পারে বলে আশাবাদী দুপক্ষই।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here