ডেস্ক: শনিবার ধর্মতলায় তৃণমূল কংগ্রেসের ২১ জুলাই শহিদ দিবস উপলক্ষ্যে বিরাট রাজনৈতিক সমাবেশ শেষ হওয়ার ঘন্টাখানেকের মধ্যেই ধর্মতলা চত্বরে রাস্তার সাফাই কাজ শুরু করে দেয় কলকাতা পুরসভা৷ ২১ জুলাই উপলক্ষ্যে কয়েক লক্ষ্য মানুষের জমায়েত হয়েছিল ধর্মতলায়৷ খুব স্বাভাবিকভাবেই সভা সমাপ্তির পর ওই জায়গা অপরিস্কার হয়ে পড়ে থাকবে৷ কারণ, দূর দূরান্ত থেকে আসা লক্ষ লক্ষ কর্মী-সমর্থকদের খাওয়া-দাওয়া, জল প্রভৃতির ব্যবস্থা করা হয়৷ এবং তার জন্য ব্যবহৃত শাল পাতা, ঠোঙা, ফয়েল, থার্মকলের থালা, পাস্টিকের গ্লাস, পলি ব্যাগ প্রভৃতি ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকে৷ যা পরবর্তী সময়ে পরিবেশ দূষিত করতে পারে৷ সেই কারণেই সাফাই কাজ দ্রুত সম্পন্ন করেছে কলকাতা পুরসভা৷

পুরসভার সাফাইয়ের দায়িত্বে থাকা এক কর্মী জানিয়েছেন সন্ধ্যার মধ্যে পুরো ধর্মতলা চত্বর অন্যান্য দিনের মতোই পরিস্কার করে দেওয়া হবে৷ এবং অনেক আগে থেকেই এই কাজের জন্য পুরসভার কয়েকশো সাফাই কর্মী প্রস্তুত ছিলেন৷ সভা শেষে তৃণমূল কর্মীরা ধর্মতলা চত্বর থেকে চলে যাওয়ার পরই সাফাইয়ের কাজ শুরু করে দেওয়া হয়৷ এবার অবশ্য প্রথম নয়, তৃণমূল কংগ্রেস রাজ্যে ক্ষমতায় আসার পর থেকেই ব্রিগেড বা ধর্মতলায় কোনও রাজনৈতিক সমাবেশ শেষ হওয়ার পরই সাফাই কর্মীরা সভাস্থল ও তার চারপাশ পরিস্কার যুদ্ধকালীন তৎপরতায় পরিস্কার করে দেন৷ এবারও তার ব্যতিক্রম হল না৷

অন্যদিকে, সকাল থেকে বিভিন্ন জায়গা থেকে লক্ষ লক্ষ মানুষ পায়ে হেঁটে, বাসে, লরিতে কিংবা অন্য কোনও গাড়িতে ধর্মতলামুখি ছিলেন৷ খুব স্বাভাবিকভাবেই এদিন গোটা কলকাতা দখলে চলে গিয়েছিল তৃণমূল সমর্থকদের দখলে৷ হাওড়া ব্রিজ থেকে শুরু করে ব্র্যাবোন রোড, স্ট্যান্ড রোড, সেন্ট্রাল এভিনিউ, এস এন ব্যানার্জী রোড, মেও রোড, মৌলালি, শিয়ালদহ, মানিকতলা, উল্টোডাঙা, এজেসি বোস রোড, রবীন্দ্র সদন, আলিপুর সমস্ত জায়গায় যানজট ছিল৷ কার্যত সকাল থেকেই স্তব্ধ ছিল কলকাতা৷ কিন্তু সভা শেষের ঘন্টাখানেকর মধ্যেই কলকাতা ট্রাফিক পুলিশের দুর্দান্ত পরিকল্পনায় ট্রাফিক সচল হয়ে যায়৷

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here