kunal-mamata

মহানগর ওয়েবডেস্ক: দলীয় নেতাদের কাটমানিতে রাশ টানতে উঠে পড়ে লেগেছেন তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। নিচু তলার নেতাদের কড়া বার্তা দেওয়ার পাশাপাশি নবান্নে শুধুমাত্র কাটমানির কাটাছেড়ায় টোলফ্রি নম্বর খুলেছেন মমতা। আর ঠিক এই সময়েই নিজের দলের বিরুদ্ধে আরও একবার সরব হতে দেখা গেল তৃণমূলের প্রাক্তন সাংসদ কুণাল ঘোষকে। চাঁচাছোলা দলের তথা তৃণমূল সুপ্রিমোর বিরুদ্ধে ফের একবার মুখ খুললেন কুণাল। তাঁর দাবি, ‘নারদকান্ডে যাদের টাকা নিতে দেখা গেছিল, সেই টাকা কি ফেরত দেবেন?’

নিজেকে তিনি আজও যতই দলের একনিষ্ঠ কর্মী হিসাবে দাবি, দলে আজ বেশ ব্রাত্য তিনি। স্পষ্ট ভাষায় না বললেও সারদা কাণ্ডে তাঁর জেলবন্দির জন্য দলের দিকেই ঘুরিয়ে আঙুল তোলেন তিনি। এরই মাঝে রবিবার তৃণমূলের কাটমানি ইস্যুতে দশদফা বক্তব্য পেশ করলেন কুণাল ঘোষ। যেখানে উঠে এল তৃণমূলের একাধিক ভুল সিদ্ধান্ত ও অন্যায় দেখেও না দেখার মনোভাব। এদিন নিজের ফেসবুক পোস্টে কুণাল লেখেন, ‘২০১৩ সালে আমি বারবার বলেছিলাম দলের মধ্যে তদন্ত কমিশন করা হোক। সেকথা শোনা হয় নি। আমি যখন প্রকাশ্যে সিবিআই দাবি করি তারপর অন্যায়ভাবে পরিকল্পিত চিত্রনাট্যে আমাকে সামনে ফেলে অপ্রিয় করে বলি দিয়ে অনেকের মুখরক্ষার ব্যবস্থা হল।’ পাশাপাশি, কাটমানি ইস্যুতে তিনি বলেন, ‘শুধু কাউন্সিলর, পঞ্চায়েত সদস্যদের গায়ে দুর্নীতির তকমা দিয়ে লাভ কী? রোগ তো তলা থেকে সারালে হবে না। যা যা অভিযোগ, কেউ জানতেন না? হঠাৎ হল? বিজেপি ১৮টা আসন পেয়ে যাওয়ায় “প্যানিক রিঅ্যাকশন”-এ এত কথা ! আগে থেকে ব্যবস্থা হয় নি কেন? দলের একাংশ, রাজনৈতিক খিদে হারিয়ে এসবে জড়িয়েছে। আর তারাই গুরুত্ব পেয়েছে। দল জানত না? ন্যাকা !’ দল যদি জানত, তবে কেন ব্যবস্থা নিল না সে প্রশ্নও তোলেন তিনি।

এরপরই নারদা ও চিটফান্ড প্রসঙ্গ টেনে আনেন কুণাল ঘোষ। নারদা ইস্যুতে তিনি বলেন, ‘নারদকান্ডে যাদের টাকা নিতে দেখা গেছিল, ফেরত দেবেন?’ এবং চিটফান্ড প্রসঙ্গে তাঁর বক্তব্য, ‘চিটফান্ড কান্ডে যারা কর্মী বা আনুষঙ্গিক সূত্রে বলি হল, তার বাইরে পরোক্ষ সুবিধাভোগী, চিট ফান্ডের টাকার ব্যবহারজনিত লাভবান, চিটফান্ডের মঞ্চে গিয়ে তাদের অনুপ্রাণিত করা- এদের ক্ষেত্রে দলের নীতি কী?’

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here