kolkata news
Parul

 

ads

নিজস্ব প্রতিনিধি: আইনজীবী স্বামীর বিরুদ্ধে আইনের দ্বারস্থ স্ত্রী। পণের দাবিতে বধূ নির্যাতনের অভিযোগ এনে আইনের শরণাপন্ন হয়েছেন তিনি। জানা গিয়েছে, চার বছর আগে নদিয়ার শান্তিপুর ব্লকের গোবিন্দপুরের বাসিন্দা শম্পা দাসের সঙ্গে ফুলিয়া দোয়ারপার জয়নগরের বাসিন্দা পেশায় আইনজীবী মনোজ কুমার দাসের বিয়ে হয়েছিল। শম্পা দাসের অভিযোগ, বিয়ের পর থেকেই পণের দাবিতে নিয়মিত মানসিক এবং শারীরিক অত্যাচার চালাত স্বামী মনোজ কুমার দাস, শাশুড়ি ও শ্বশুর।

শম্পাদেবীর অভিযোগ, গত ২৯ জুন অত্যাচারের মাত্রা চূড়ান্ত পর্যায়ে পৌঁছয়।  আমি প্রতিবাদ করলে স্বামী প্রথমে লোহার রড দিয়ে মাথায় আঘাত করে। মাটিতে লুটিয়ে পড়লে কোমরের বেল্ট খুলে অমানবিক ভাবে মারতে থাকে। এরপর বাড়ি থেকে বেরিয়ে যেতে বলে। রক্তাক্ত অবস্থায় কোনওরকমে শান্তিপুর স্টেট জেনারেল হাসপাতালে পৌঁছই। সেখান থেকে আমার মা উদ্ধার করেন আমাকে। যাবতীয় ঘটনার বর্ণনা দিয়ে সেই দিনই শান্তিপুর থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করি।

শম্পাদেবীর মা সুলেখা দাস বলেন, মোবাইলে বিভিন্ন মেসেজ দেখে মেয়ে আমাকে প্রায়ই বলত জামাইয়ের একাধিক বিবাহ বহির্ভূত সম্পর্ক আছে। অর্থনৈতিক ভাবে আমাদের দুর্বলতা থাকার কারণে মেয়েকে মানিয়ে চলার পরামর্শ দিতাম। কিন্তু প্রায়ই তার শরীরে নির্যাতনের চিহ্ন দেখতে পাই আমরা। সহ্যের সীমা লঙ্গন করেছিল সেদিন।

প্রতিবেশী চায়না শিকদার জানান, ছোটবেলা থেকে শম্পা আমাদের হাতে বড় হয়েছে। তাই একবার শ্বশুর-শাশুড়িকে জানানোর জন্য গিয়েছিলাম তাদের বাড়িতে। সেখানে শম্পাকে এবং আমাকে বেধড়ক মারধর করে জামাই এবং তার বাবা। আইনজীবী জামাই এবং মুহুরির কাজ করা শ্বশুর আইনের প্রভাব খাটিয়ে হুমকি দিয়ে বলে, থানা-পুলিশ আমাদের কিছু করতে পারবে না। অভিযুক্ত আইনজীবী স্বামী মনোজ দাসের বক্তব্য জানতে তার সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করেও পাওয়া যায়নি। তবে শ্বশুর বলেছেন, এটা পারিবারিক বিষয়। একসঙ্গে বসে মিটিয়ে নেওয়া হবে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here