mannan sujan caa to mamata

Highlights

  • সিএএ-র বিরুদ্ধে বিধানসভায় প্রস্তাবের আর্জি
  • মুখ্যমন্ত্রীকে চিঠি দিলেন বিরোধী দলনেতা
  • একজোটে বৃহত্তর লড়াইয়ের ডাক বাম-কংগ্রেসের

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: এনআরসি-সিএএ বিরোধিতায় সংবিধান মেনে মোদী সরকারকে কার্যত চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দিয়েছে কেরালা সরকার। অন্যান্য রাজ্যগুলির তুলনায় কয়েক কদম এগিয়ে গিয়ে নাগরিকত্ব সংশোধনী আইন বাতিল চেয়ে বিধানসভায় প্রস্তাব পাশ করল পিনারাই বিজয়ন সরকার। বিরোধী কংগ্রেস এবং বামফ্রন্ট সংশোধিত নাগরিকত্ব আইন এবং এনআরসির বাতিলের দাবিতে একযোগে পথে নেমে আন্দোলন করার জন্য সরকারপক্ষের কাছে আবেদন জানিয়েছে। এবার এরাজ্যেও সিএএ বাতিলের প্রস্তাব চেয়ে বার্তা দিল বিরোধী বাম-কংগ্রেস। রাজ্যের বিরোধী দলনেতা আব্দুল মান্নান মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে চিঠি লিখে নাগরিকত্ব আইনের প্রতিবাদে একযোগে আন্দোলনের ডাক দেন। পাশাপাশি সর্বদল বৈঠক করে বিজেপি বিরোধী যৌথ আন্দোলন কর্মসূচি তৈরি করার জন্য তিনি মুখ্যমন্ত্রীর কাছে আবেদন জানিয়েছেন। বিধানসভা
ভবনে আজ এক সাংবাদিক বৈঠকে বিরোধী দলনেতা অভিযোগ করেন বিজেপি দেশকে টুকরো করার চেষ্টা করছে। মূল্যবৃদ্ধি বেকারত্বের মতো সমস্যায় মানুষ নাজেহাল হচ্ছেন। এসব থেকে নজর ঘোরানোর জন্য বিভাজন এর খেলা চালানো হচ্ছে এর বিরুদ্ধে সব দলকে একসঙ্গে লড়াই করতে হবে।

বিজেপিকে আরও কোনঠাসা করতে একজোটে রাজ্যে বৃহত্তর আন্দোলন করার আহ্বান অবদুল মান্নানের। কংগ্রেস-তৃণমূল কংগ্রেস-বামেদের একত্রিত এই আন্দোলনে সিএএ বিরোধী প্রতিবাদ আরও জোরদার হবে বলে দাবি বিরোধী দলনেতার। একইসঙ্গে বাম পরিষদীয় দলনেতা সুজন চক্রবর্তী সংশোধিত নাগরিকত্ব আইন ও এনআরসির প্রতিবাদে সরকারপক্ষের সঙ্গে একযোগে আন্দোলনের দাবিকে সমর্থন করলেও মুখ্যমন্ত্রীর পথে নেমে আন্দোলনের বিশ্বাসযোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন। সুজন বাবু অভিযোগ করেন তৃণমূল কংগ্রেসের আট সাংসদ নাগরিকত্ব বিলের বিরুদ্ধে ভোট দেননি। সেক্ষেত্রে সর্বদল বৈঠকে এই আইনের বিরুদ্ধে জোরালো বার্তা দিয়ে মুখ্যমন্ত্রীকে তার বিশ্বাসযোগ্যতা প্রমাণ করতে হবে বলে সুজন বাবু দাবি জানিয়েছেন। অন্যদিকে ভোটার তালিকা সংশোধনের ক্ষেত্রে সরকারের তরফে সব রকমের সতর্কতা বজায় রাখার তিনি দাবি জানিয়েছেন
তিনি।

উল্লেখ্য, মোদী সরকারকে কার্যত নিশানায় নিয়ে মঙ্গলবারই কেরলের বাম সরকার বিধানসভায় সিএএ বিরোধী প্রস্তাব তুললে, প্রস্তাবকে সমর্থন করে এলডিএফ, ইউডিএফ এবং কংগ্রেসের মতো বিরোধী দলগুলি। এই প্রস্তাব পাশ হওয়ার সময় কেরলের মুখ্যমন্ত্রী বিজয়ন বলেন, ‘এই আইন ভারতের ধর্মনিরপেক্ষতার বিরোধী। এদিন পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য বিধানসভাতেও ঠিক একইভাবে সিএএ বিরোধী প্রস্তাব পাশ করানোর কথা বলেন বিরোধী দলনেতা আব্দুল মান্নান। রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও এই আইনের বিরোধিতায় রাস্তায় নেমে আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছেন। এবার শহর কলকাতা ছাপিয়ে জেলায় জেলায় মিছিল করছেন মুখ্যমন্ত্রী। এবার এই আন্দোলনকে আরও বৃহত্তর আকার দেওয়ার প্রস্তাব বাম-কংগ্রেসের।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here