Home Featured মিলেছে শুধুই প্রতিশ্রুতি আর ভোটে দাঁড়ানোর প্রস্তাব, আক্ষেপ পুলওয়ামা শহিদের ভাইয়ের

মিলেছে শুধুই প্রতিশ্রুতি আর ভোটে দাঁড়ানোর প্রস্তাব, আক্ষেপ পুলওয়ামা শহিদের ভাইয়ের

0
মিলেছে শুধুই প্রতিশ্রুতি আর ভোটে দাঁড়ানোর প্রস্তাব, আক্ষেপ পুলওয়ামা শহিদের ভাইয়ের
Parul

Highlights

  • কাশ্মীরের পুলওয়ামায় ২০১৯ সালের ১৪ ফেব্রুয়ারি সেনা কনভয়ে আত্মঘাতী হামলা চালিয়েছিল জঙ্গিরা
  • সেই হামলায় শহিদ হয়েছিলেন ৪০ জন ভারতীয় সেনা জওয়ান
  • এক বছর পরেও সরকারের তরফ থেকে মেলেনি খুব বেশি কোনও সহায়তা

মহানগর ওয়েবডেস্ক: দেখতে দেখতে কেটে গেল একটা বছর। কাশ্মীরের পুলওয়ামায় ২০১৯ সালের ১৪ ফেব্রুয়ারি সেনা কনভয়ে আত্মঘাতী হামলা চালিয়েছিল জঙ্গিরা। সেই হামলায় শহিদ হয়েছিলেন ৪০ জন ভারতীয় সেনা জওয়ান। সেই হামলায় প্রাণ হারিয়েছিলেন জয়পুরের শাহপুরার ২৭ বছরের তরতাজা জওয়ান রোহিতাশ লাম্বাও। আজ এক বছর পরেও সরকারের তরফ থেকে মেলেনি খুব বেশি কোনও সহায়তা। বরং ভোটের সময় শহিদের পরিবারকে ‘ব্যবহার’ করতে চেয়েছিলেন রাজনৈতিক নেতারা, এমনই বিস্ফোরক অভিযোগ করলেন রোহিতাশের ভাই জিতেন্দ্র লাম্বা।

এক সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে জিতেন্দ্র জানান,

‘আমি এক মন্ত্রী থেকে আরেক মন্ত্রীর কাছে এই একবছরে শুধু ঘুরেছি। আমার দাদা যখন শহিদ হন, তখন আমায় চাকরি দেওয়ার আশ্বাস দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু আজ পর্যন্ত চাকরি পাইনি। গত বছর লোকসভা নির্বাচনের আগে আমায় ভোটে দাঁড়ানোর প্রস্তাবও দেওয়া হয়েছিল। আমি রাজি হইনি। আমি জানিয়েছিলাম ভোটে দাঁড়াতে চাইনা, কাজ চাই।’

অন্যদিকে, শহিদ জওয়ানের বাবা বাবুলাল লাম্বা জানান, ঘটনার পরপর অনেক দলের নেতাই অনেক প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন। কিন্তু কেউই তা পূরণ করেননি। তিনি জানেন না তাঁর ছেলের হত্যাকারী কারা। বাবুলাল লাম্বা আরও জানান, এখনও পর্যন্ত কেন্দ্র ও রাজ্য সরকারের থেকে প্রায় দেড় কোটি টাকা আর্থিক সাহায্য পেয়েছেন। কিন্তু ওই হামলার তদন্তের গতিপ্রকৃতি নিয়ে এখনও খুশি হননি তিনি।

যে সময় রোহিতাশ লাম্বা শহিদ হন, সেই সময় তাঁর ছেলের বয়স ছিল মাত্র ছয় মাস। পেড়িয়ে গিয়েছে একটা গোটা বছর। সন্ত্রাসবাদী হামলায় স্বামীকে হারানোর শোক আজও কাটিয়ে উঠতে পারেননি রোহিতাশের স্ত্রী মঞ্জু। তবুও তিনি চান, তাঁর ছেলে বড় হয়ে বাবার মতোই ভারতীয় সেনাবাহিনীতে যোগ দিয়ে দেশের সেবা করুক।

 

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here