kolkata news

নিজস্ব প্রতিনিধি, অল্প বয়সেই তিনি পেয়েছেন মিলিয়নিয়রের তকমা। তাঁর বৈভব দেখে চোখ কপালে উঠবে তাবড় তাবড় ধনী ব্যক্তির। অথচ এই তরুণ উদ্যোগপতিই এক সময় খুবই কম মাইনেই চাকরি করতেন একটি ভিডিওগেম তৈরির কোম্পানিতে।

এলন মাস্ক। ক্যালিফোর্নিয়ার এই তরুণ উদ্যোগপতি এক সময় চাকরি করতেন একটি ভিডিওগেম তৈরির কোম্পানিতে। নাম ছিল রকেট সায়েন্স। নয়ের দশকের শুরুর দিকে ওই কাজ করতেন। বেতন? কহতব্য নয়। ওই তরুণই তৈরি করতেন কম্পিউটারের নানা প্রোগ্রামিং। বিশেষত c++। যদিও বয়সে তরুণ এলনকে হালকা কাজই দিতেন তাঁর নিয়োগ কর্তারা। তবে তাঁর হাতযশের গুনেই তৈরি হত একের পর এক মজাদার গেম। যা খেলতে সাইবার কাফেগুলিতে ভিড় করত কিশোর-তরুণ মায় যুবকও।

অল্প কিছুদিন চাকরি করার পর কাজে ইতি টেনে দেন এলন। তৈরি করেন নিজস্ব কোম্পানি স্পেস এক্স।পরে তেসলা নামে আরও একটি কোম্পানি খোলেন তরুণ এই উদ্যোগপতি। তারপর আর পিছন ফিরে তাকাতে হয়নি তাঁকে। আজ বিশ্বের সব চেয়ে দামি গাড়ি কোম্পানির মালিক তিনি। মাত্র সাতাশ বছর বয়সেই মিলিয়নিয়রের তকমা পেয়েছিলেন তিনি।

তবে এত টাকার মালিক হলেও এলন ভুলে যাননি তাঁর সদ্য যৌবনের কথা। যখন তিনি কাজ করতেন রকেট সায়েন্স কোম্পানিতে। তাঁকে ভুলে যাননি রকেট সায়েন্স কর্তৃপক্ষও। একদিন যে মিষ্টি ছেলেটাকে দিয়ে ভারী কাজ করাতে দ্বিধা বোধ করতেন তাঁরা, তখনকার সেই সদ্য গোঁফের রেখা ওঠা ছেলেটাই আজ মিলিয়নিয়র! ভাবলেই নস্টালজিক হয়ে পড়েন রকেট সায়েন্স কর্তৃপক্ষ। হ্যাঁ, আজও।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here