kolkata news

 

নিজস্ব প্রতিনিধি: মুখ্যমন্ত্রী প্রার্থী হবেন ঘোষণা করার পর নন্দীগ্রাম বিধানসভা কেন্দ্র নিয়ে চর্চা শুরু হয় রাজনৈতিক মহলে। সেই চর্চা এবার আরও জোরালো হল বিরোধী শিবিরের জন্য। এই আসনটি গত পাঁচ দশক লড়াই করে আসছে সিপিআই। এই প্রথমবার সিপিআই এই আসনে লড়বে না বলে জানা গিয়েছে। বামেরা আসনটি ছেড়েছে আব্বাস সিদ্দিকীর ইন্ডিয়ান সেক্যুলার ফ্রন্টের জন্য। আর এই আসনটি আব্বাস সিদ্দিকীকে ছাড়ার পেছনে বিশেষ অঙ্ক আছে বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল। কারণ এই বিধানসভা এলাকায় ৪০ শতাংশ সংখ্যালঘু ভোট আছে। ইতিমধ্যে সেই সংখ্যালঘুদের মধ্যে যথেষ্ট প্রভাব বিস্তার করে ফেলেছেন আব্বাস সিদ্দিকী। তাই আমাদের তরফে এই আসনটি এবার আব্বাস সিদ্দিকীর হাতে ছেড়ে দেওয়া হতে পারে বলে জানা যাচ্ছে।

​এই মুহূর্তে নন্দীগ্রামের বিধায়ক প্রাক্তন পরিবহণমন্ত্রী তথা বর্তমান বিজেপি নেতা শুভেন্দু অধিকারী। এই বিধানসভাটি শুভেন্দুর খাসতালুক হিসেবে পরিচিত। তবে বিজেপি’র টিকিটে শুভেন্দু এই আসনে প্রার্থী হবেন কিনা, তা এখনও জানা যায়নি। কয়েকদিন আগে নন্দীগ্রামের সভাই দাঁড়িয়ে আচমকাই মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ঘোষণা করেন আসন্ন বিধানসভা ভোটে তিনি এখানে প্রার্থী হবেন বলে। মুখ্যমন্ত্রী প্রার্থী হবেন ঘোষণা করার পর শুভেন্দু অধিকারী হুঙ্কার দিয়ে বলেছিলেন, তাঁকে ৫০ হাজারের বেশি ভোটে হারাবেন তিনি। পরে আবার সেই ব্যবধান বাড়িয়ে তিনি এক লক্ষ করে দেন।

​১৯৫১ সাল থেকে নন্দীগ্রামের ৯বার জিতেছে সিপিআই। একবার জিতেছে সিপিএম। কংগ্রেস জিতেছে ৬বার। ২০০৯-এর বিধানসভা উপ নির্বাচনের পর থেকে আসনটি দখল নেয় রাজ্যের শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেস। ওই বিধানসভা কেন্দ্রের বর্তমান বিধায়ক শুভেন্দু অধিকারী। তৃণমূলের টিকিটে জেতার পর এখন তিনি বিজেপিতে আছেন।

​বামেদের তরফে আসনটি আব্বাস সিদ্দিকীকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে বলে এখনও ঘোষণা করা হয়নি। তবে বিশেষ সূত্রে জানা যাচ্ছে, এবার ওই কেন্দ্রে লড়বেন ‘ভাইজানের’ পছন্দের প্রার্থী। আর সেক্ষেত্রে নন্দীগ্রামে লড়াই জমে উঠবে তা বলাই যায়। তাই রাজনৈতিক মহল বলছে ‘খেলা হবে’ ‘খেলা জমবে’।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here