ডেস্ক: এমনটা যে হবে জানাই ছিল, হলও তাই। এনডিএ-র নয়া প্রার্থী তালিকায় জায়গা হল না পাটনা সাহিব লোকসভা কেন্দ্রের বিক্ষুব্ধ বিজেপি নেতা শত্রুঘ্ন সিনহার। তাঁর জায়গায় ওই একই কেন্দ্র থেকে টিকিট পেলেন কেন্দ্রীয় আইনমন্ত্রী রবিশঙ্কর প্রসাদ। এদিন বিহারের ৪০টি লোকসভা আসনের মধ্যে ৩৯টি আসনে প্রার্থী ঘোষণা করে এনডিএ। প্রসঙ্গত, বিহারের আসনগুলিতে লড়ার জন্য দীর্ঘদিন আগেই নীতীশ কুমারের জেডিইউ-র সঙ্গে জোট ঘোষণা করেছে বিজেপি।

নীতীশের জেডিইউ ছাড়াও এনডিএ-র এই জোটে সামিল রয়েছে রামবিলাস পাসোয়ানের লোক জনশক্তি পার্টি। বিহারের ৪০টি আসনের মধ্যে ১৭টি করে আসনে প্রার্থী দিয়েছে বিজেপি ও জেডিইউ। বাকি ৬টি আসন ছাড়া হয়েছে লোক জনশক্তি পার্টির জন্য।

চলতি লোকসভা নির্বাচনে কংগ্রেসের টিকিটে পাটনা সাহিব কেন্দ্র থেকে লড়তে পারেন শত্রুঘ্ন। বিগত কয়েকদিন যাবত এই জল্পনা বেশ বৃদ্ধি পেয়েছে। অবশ্য এই জল্পনা না হলেও পাটনার এই আসনে বিজেপির তারকা প্রচারকের লড়ার সম্ভাবনা ছিল না বললেই চলে। কারণটা জলের মতোই পরিস্কার। শেষ কয়েক মাসে বিজেপির বিরুদ্ধে কার্যত বিদ্রোহ ঘোষণা করে দিয়েছেন তিনি। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরোধী জোটের মঞ্চেও তাঁর উপস্থিতি ছিল যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ।

শুধু তাই নয়, কয়েকদিন ধরেই নিজের টুইটারে লাগাতার প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে কটাক্ষ করে এসেছেন শত্রুঘ্ন। কখনও প্রতিশ্রুতি পূরণ না হওয়া নিয়ে। কখনও বা ‘আচ্ছে দিন’-এর মিথ্যা স্বপ্ন দেখানোর জন্য। কখনও বা পাঁচ বছরে একটিও সাংবাদিক বৈঠক না করার জন্য। ফলে ঝড় যে উঠবে সেই ইঙ্গিত পাওয়াই গিয়েছিল। এবার বাস্তবেও তাই হল। বিজেপিতে থেকে এহেন বিদ্রোহের উদাহরণ নেই বললেই চলে। ফলে ঘরে থেকে তাঁর ‘শত্রুতা’ সহ্য করতে পারছিলেন না বিজেপি নেতারা। শেষ পর্যন্ত কেটেই ফেলা হল তাঁর টিকিট।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here