ডেস্ক: হিন্দু ধর্মের সঙ্গে সমস্ত চরিত্রগুলির এবং আধুনিক সমাজের মূল পথিকৃৎ হিসাবে হিন্দুত্বকে মেলাতে গিয়ে বেফাঁস মন্তব্য বিজেপি নেতাদের মুখে নতুন নয়। তা সে ত্রিপুরার মুখ্যমন্ত্রী বিপ্লব দেব হোক বা কেন্দ্রীয় মন্ত্রী সত্যপাল সিং। গেরুয়া গোয়ালের সেই চেনা ছন্দ থেকে বাদ গেলেন না রাজস্থানের বিজেপি বিধায়ক জ্ঞান দেব আহুযা। সাংবাদিকদের সামনে এই নেতার দাবি, ভারতে দলিতদের বঞ্চনার বিরুদ্ধে প্রথম প্রতিবাদে নেমেছিলেন হনুমান। ইনিই দলিত এবং আদিবাসীদের সর্বপ্রথম দলিত নেতা।’

সম্প্রতি ২ এপ্রিল ভারত বনধের সময়ে হনুমানজীর বেশ কিছু ছবিকে প্রতিবাদীরা অসম্মান করেছে বলে দাবি করেন তিনি। যা তাঁর কাছে হনুমানজীর চরম অপমান বলে মনে করেন তিনি। এই প্রসঙ্গে তাঁর কথাও হয় বিজেপির সাংসদ কিররি লাল মেনার সঙ্গে। এরপরই শুক্রবার সাংবাদিকদের সামনে জ্ঞান দেব আহুযা বলেন, ‘আমি কিররিকে বলেছিলাম, তোমার লজ্জা হওয়া উচিৎ। তুমি নিজেকে দলিত বলে প্রিচ্য দাও এবং হনুমানজীকে অসম্মান কর।’ তিনি আরও বলেন, ‘ভারতের বুকে সবচেয়ে বেশী মন্দির রয়েছে হনুমানজীর, দলিতদের নেতা রামজীর প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত এই দেবতাকে কখনই অসম্মান করা উচিৎ নয়।’

তবে বিতর্কিত মন্তব্যের জন্য এই প্রথমবার খবরের শিরোনামে নন এই বিজেপি বিধায়ক জ্ঞান দেব আহুযা। এর আগে ২০১৬ সালের ফেব্রুয়ারিতে জেএনইউ ইউনিভার্সিটি দিকে আঙুল তুলে খবরের শিরোনামে উঠে এসেছিলেন তিনি। সেবার তাঁর মন্তব্য ছিল, এই ইউনিভার্সিটি থেকে প্রতিদিন ৩হাজার কন্ডোম ও ২ হাজার মদের বোতল উদ্ধার হয়। এছাড়াও দেশজুড়ে যখন ব্যাপকভাবে ছড়ায় গো-সম্পর্কিত সেবার তাঁর মন্তব্য ছিল। দেশের মধ্যে যারা গোহত্যা ও গরু পাচারের সঙ্গে যুক্ত থাকবে তাদের ঠিক একই রকমভাবে হত্যা করা হবে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here