নিজস্ব প্রতিবেদক, হাবড়া: সম্পর্কে বিচ্ছেদ টেনে নতুন করে সম্পর্কে জড়িয়েছে প্রেমিক। আর এই সন্দেহের জেরেই দ্বাদশ শ্রেণীর এক ছাত্রীকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে এলোপাথাড়ি কোপালো অপর যুবতী। ত্রিকোন প্রেমের জেরে ভয়াবহ এই ঘটনাটি হাবড়া থানার বানীপুর রবীন্দ্রসরনী এলাকার। ঘটনায় অভিযুক্ত ওই যুবতীকে গ্রেপ্তার করেছে হাবড়া থানার পুলিশ।

স্থানীয় সুত্রে ও পুলিশ সূত্রের খবর, বানিপুর বাদাম তলা এলাকার ক্ষিতিশ রায় নামে এক যুবকের সঙ্গে ভালোবাসার সম্পর্ক ছিল অশোকনগর সুভাষ পল্লীর বাসিন্দা অঙ্কিতা কুন্ডুর। সম্প্রতি, দুজনের সম্পর্কে ছেদ পড়ে বলে জানা গেছে। তারই মধ্যে ক্ষিতিশ বানিপুর এলাকার এক দ্বাদশ শ্রেনীর এক ছাত্রীর সঙ্গে নতুন ভাবে ভালোবাসার সম্পর্কে তৈরী করে। দ্বাদশ শ্রেনীর ওই ছাত্রীর নাম বর্ষা। ক্ষিতিশ ও বছর সতেরোর এই কিশোরীর সঙ্গে নতুন সম্পর্ক মেনে নিতে পারেনি অঙ্কিতা। এরপর বুধবার বিকেলে ক্ষিতিশকে কেন্দ্র করে প্রথমে কথা কাটাকাটি অঙ্কিতা ও বর্ষার। এরপর রাত্রি আটটা নাগাদ চরম আক্রোশ নিয়ে বর্ষার বাড়িতে যায় অঙ্কিতা। সেই সময় বর্ষার বাড়িতে কেউ ছিল না। কথা কাটাকাটির পর, পরিস্থিতি হাতাহাতিতে গিয়ে পৌঁছয়। এরপর বর্ষাকে ক্ষিতিশের প্রথম প্রেমিকা অঙ্কিতা ধারালো অস্ত্র দিয়ে এলোপাথাড়ি কুপিয়ে খুনের চেষ্টা করে। বর্ষার চিৎকারে এলাকার লোকজন জড়ো হতেই পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে অঙ্কিতা। তবে তাকে সঙ্গে সঙ্গে ধরে ফেলে স্থানীয় বাসিন্দারা। পুলিশে খবর দেওয়া হলে পুলিশ এসে গ্রেপ্তার করে অভিযুক্ত যুবতী অঙ্কিতা কুন্ডুকে। তার কাছ থেকে উদ্ধার হয় ধারালো দা।

অন্যদিকে, গুরুতর আহত অবস্থায় বর্ষাকে উদ্ধার করে হাবড়া হাসপাতালে নিয়ে আসেন স্থানীয়রা। আহত বর্ষার শরীরে ও মাথায় মোট ১৪টি সেলাই পড়েছে। ঘটনার ভয়াবহতায় শিউরে উঠেছে হাবড়ার প্রফুল্লনগর বালিকা বিদ্যালয়ের দ্বাদশ শ্রেণীর ছাত্রী বর্ষা। এদিকে পুর ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। অভিযুক্ত যুবতী অঙ্কিতা কুন্ডুর কাছ থেকে উদ্ধার করা হয়েছে ধারালো দা।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here