মহানগর ডেস্ক: অবশেষে মধ্যপ্রদেশে পাস হল ‘ধর্মীয় স্বাধীনতা বিল ২০২১’। সোমবার, মধ্যপ্রদেশের বিধানসভায় পাস হয় এই বিল। অর্থাৎ তা এখন আইনে পরিণত হল। গত বছরের ডিসেম্বরেই রাজ্যের বিশেষ বৈঠকে মুখ্যমন্ত্রী শিবরাজ সিং চৌহানের নেতৃত্বে এই বিলটি আনা হয়।

এই বিল পাস হওয়ার পর শিবরাজ বলেন, ‘মধ্যপ্রদেশে জোর করে ধর্মান্তরণ আমরা কিছুতেই মেনে নেব না। যদি তাও কেউ তা করে তবে তাঁকে দশ বছরের কারাদণ্ড এবং নূন্যতম পঞ্চাশ হাজার টাকা জরিমানা দিতে হবে।’

এই বিলের কারণ হিসাবেও একটি বিষয় তুলে ধরেন মধ্যপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী। তিনি বলেন, ‘আমরা দেখতে পেয়েছি বহু নাবালিকাকে জোর করে ধর্মান্তরণের মাধ্যমে বিয়ে করা হচ্ছে এবং তারপর তাঁদের পঞ্চায়েত ভোটে প্রার্থী করা হচ্ছে।’

এই বিল প্রসঙ্গে ওই রাজ্যের মন্ত্রী নরোত্তম মিশ্র বলেন, ‘এই নতুন বিলের ফলে যেকোনো ধরনের জোর করে ধর্মান্তরণ অপরাধ। এই অপরাধের সঙ্গে যুক্ত যে কোনও ব্যক্তিকে এক থেকে পাঁচ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড এবং নূন্যতম ২৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হবে।’

এছাড়াও তিনি বলেন, ‘এই নতুন বিলের মধ্যে যে কোনও নাবালিকা এবং মহিলা কিংবা তফসিলি জাতি এবং উপজাতি ভুক্ত কোনও ব্যক্তিকে যদি জোর করে ধর্মান্তরণ করা হয় তবে এই অপরাধের সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তিকে ২-১০ বছরের মধ্যে জেল এবং পঞ্চাশ হাজার টাকা জরিমানা করা হবে।’

উত্তরপ্রদেশের বিধানসভাতেও এমনই একটি ধর্মান্তরণ বিরোধী আইন আনা হয়েছিল। ‘বেআইনি ধর্মান্তরণ বিল’ উত্তরপ্রদেশে ধ্বনি ভোটের মাধ্যমে পাস হয়।এর আগে যোগী আদিত্যনাথের সরকারও ধর্মান্তরণ বিরোধী আইন এনেছিল। মূলত ‘লাভ জিহাদ’ রুখতেই এই নতুন আইন বলবৎ করেছিল যোগী সরকার।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here