national news

মহানগর ওয়েবডেস্ক: সরকারে ভাঙন ধরেছে মধ্যপ্রদেশে। করোনার জেরে আস্থাভোট পিছিয়ে যাওয়ায় নতুন করে কুর্সি দখলের রাস্তায় হেঁটে শীর্ষ আদালতের শরণাপন্ন হয়েছে গেরুয়া শিবির। অন্যদিকে আবার বিজেপিকে চাপে রাখতে পাল্টা মামলা দায়ের করেছে কংগ্রেস। সেই মামলাতেই আদালতে বড় ধাক্কা খেল হাত শিবির। এরই সঙ্গে মধ্যপ্রদেশের কুর্সি দখলের রাস্তা আরও খানিক পরিষ্কার হয়ে গেল বিজেপির জন্য।

কংগ্রেস বিধায়কদের অপহরণ করা হয়েছে এই অভিযোগে শীর্ষ আদালতের কাছে মামলা দায়ের করেছিল কংগ্রেস। তবে সে অভিযোগ এদিন ধোপে টিকল না আদালতে। শুনানি চলাকালীন বিধায়কদের ইস্তফা খতিয়ে দেখার জন্য আদালতের কাচেহ ২ সপ্তাহের সময় চায় কংগ্রেস। কিন্তু তাদের সে আবেদন এদিন মঞ্জুর করেনি আদালত। উল্টে বিক্ষুব্ধ বিধায়কদের সঙ্গে স্পিকারের যোগাযোগ স্থাপনের জন্য একজন পর্যবেক্ষক নিয়োগ করার নির্দেশ দেয় আদালত। যদিও স্পিকারের দাবি ছিল, বিধায়করা যদি স্বশরিরে এসে ইস্তফা দেন তাহলেই ইস্তফা গ্রহণ করবেন তিনি। আদালতের এই নির্দেশে এবার সাক্ষাৎ ছাড়াই ইস্তফা গ্রহণ করতে বাধ্য হবেন মধ্যপ্রদেশের স্পিকার। এক্ষেত্রে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমেও স্পিকারের সঙ্গে যোগাযোগের কথা বলা হয় আদালতের তরফে। ফলস্বরূপ বিক্ষুব্ধ বিধায়করা যদি এই পন্থায় নিজেদের ইস্তফা পেশ করেন সেক্ষেত্রে আর কোনও বাধা তৈরি করতে পারবেন না স্পিকার।

উল্লেক্ষ্য, বর্তমানে কর্ণাটকের রিসোর্টে রয়েছেন কংগ্রেসের বিক্ষুব্ধ বিধায়করা। তাদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে চেয়ে বুধবার সকালে বেঙ্গালুরুর রামাদা হোটেলের সামনে ধর্নায় বসেন কংগ্রেস নেতা দিগ্বিজয় সিং। তার জেরে পুলিশ গ্রেফতারও করে দিগ্বিজয় সিংকে। বিধায়কদের সঙ্গে দেখা করতে চেয়ে হাইকোর্টেও আবেদন করেছিলেন তিনি। তবে খারিজ হয়ে যায় সে আবেদনও। এহেন পরিস্থিতিতে বিক্ষুব্ধ বিধায়করা মধ্যপ্রদেশের ইস্তফার দেওয়ার জন্যও ফিরতে নারাজ। তাদের দাবি, রাজ্যে ফিরলে কংগ্রেসের তরফে চাপ সৃষ্টি করা হতে পারে তাদের উপর। এমন পরিস্থিতিতে অন্যপন্থায় বিধায়কদের ইস্তফা দেওয়ার সুযোগ করে দিল আদালত।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here