death
death

ডেস্ক: মাধ্যমিক পরীক্ষার্থী মেয়ে ও মায়ের মৃতদেহ ঘিরে চাঞ্চল্য ছড়াল হাবড়া থানার মছলন্দপুর এলাকায়। এই খুনের ঘটনায় মূল অভিযুক্ত ওই মাধ্যমিক পরীক্ষার্থীর বাবা শেখর দেবনাথ (৪০)। ঘটনার কথা জানাজানি হওয়ার পর গলায় দড়ি দিয়ে আত্মহত্যা করতে যায় ওই অভিযুক্ত।

পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, দেনার দায়ে জর্জরিত ছিল শেখর। পাওনাদারদের চাপে সম্প্রতি দিশাহারা হয়ে পড়েছিল সে। তাঁর একমাত্র মেয়ে পূজা দেবনাথ স্থানীয় ভূদেব স্মৃতি বালিকা বিদ্যালয়ের ঠেকে মাধ্যমিক পরীক্ষা দিচ্ছিল। শনিবারও সে পরীক্ষা দিতে যায়, এরপর সোমবার পরীক্ষা দিতে না যাওয়ার তাঁর বান্ধবীরা পূজার বাড়িতে খোঁজ খবর নিতে আসে। সেখানে পুজার বাবার কথায় অসংতি লক্ষ্য করে তারা। এরপর স্থানীয়রা মা ও স্ত্রীর বিষয়ে আরও খোঁজ খবর নিতে শুরু করলে শেখর দৌড়ে বাড়ির দোতলায় উঠে গলায় দড়ি দিয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করে। স্থানীয়রা শেখরকে উদ্ধার করে স্থানীয় বাওগাছি স্বাস্থ্যকেন্দ্রে নিয়ে যায়। সেখান থেকে তাঁকে নিয়ে যাওয়া হয় হাবড়া হাসপাতালে।

এরপর স্থানীয়রা তাঁর বাড়িতে গিয়ে খোঁজ করতেই বাড়ি থেকে উদ্ধার হয় প্লাস্টিকে মোড়া মা ও মেয়ের মৃতদেহ। দেহ দুটিতে তখন পচন ধরেছে। সঙ্গে সঙ্গে মছলন্দপুর পুলিশ স্টেশনে খবর দেওয়া হলে পুলিশ এসে উদ্ধার করে দুটি মৃতদেহ। প্রাথমিকভাবে পুলিশের অনুমান দেনার দায়ে দিশাহারা হয়েই স্ত্রী ও মেয়েকে খুন করে শেখর। এরপর স্থানীয়দের প্রশ্নের মুখে পড়ে নিজে আত্মঘাতী হতে যায়। পুরো ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here