sachin swant

মহানগর ডেস্ক: মার্কিন পপ তারকা রিহানা কৃষক আন্দোলনকে সমর্থন করে গত সপ্তাহে মঙ্গলবার রাতে সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করেছিলেন। এই পোস্টের বিরোধিতা করে সবার প্রথম বিদেশ মন্ত্রকের তরফে একটি বিবৃতি প্রকাশ করা হয়। বুধবার বিকেলের দিকে বিদেশ মন্ত্রকের তরফে বিবৃতি প্রকাশ করা হয়। তারপর একের পর এক ভারতীয় সেলিব্রেটি নয়া কৃষি আইনকে সমর্থন করে পোস্ট করেন। তারমধ্যে লতা মঙ্গেশকর, শচীন তেন্ডুলকরের মতো ব্যক্তিত্ব ছিলেন। এরপর থেকেই প্রশ্ন উঠতে শুরু করে, তাঁদের কৃষি আন্দোলনকে সমর্থন করার বিষয়ে বিজেপি চাপ দেয়নি তো। এই বিষয়ে মহারাষ্ট্র সরকার তদন্তের সিদ্ধান্ত নিয়েছে বলে জানা গিয়েছে।

সোমবার একটি সাংবাদিক সম্মেলনে মহারাষ্ট্রে কংগ্রেসের সম্পাদক শচীন সাওয়ান্ত বলেন, ‘রিহানার টুইটের প্রতিক্রিয়া হিসেবে বিদেশ মন্ত্রক টুইট করেছিল। বিদেশ মন্ত্রকের টুইটের পর একাধিক ভারতীয় সেলিব্রেটি টুইট করেন। তাঁরা যদি নিজেদের মতামত পেশ করেন, সেক্ষেত্রে কিছু বলার নেই। কিন্তু সন্দেহ, বিদেশ মন্ত্রকের টুইটের পর সেলিব্রেটির পরের পর টুইটের নেপথ্যে বিজেপি রয়েছে। বিজেপি সেলিব্রেটিদের এই টুইটগুলো করাতে বাধ্য করেছিল। এই বিষয়ে রাজ্যের গৃহমন্ত্রী দেশমুখের সঙ্গে কথা বলেছি। তিনি ঘটনার তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন।’

এরপর শচীন সাওয়ান্ত বলেন, ‘সেলিব্রেটিদের নিজের মতামত প্রকাশ করার অধিকার রয়েছে। কিন্তু সেলিব্রেটিদের টুইটগুলো একই ধরনের। শচীন তেন্ডুলকর, সাইনা নেহরওয়াল, অক্ষয় কুমার, সুনীল শেট্টি প্রমুখদের টুইট দেখলেই বোঝা যাবে। এর থেকে বোঝা যাচ্ছে দেশের শাসক দলের সঙ্গে সেলিব্রেটিদের যোগাযোগ রয়েছে। তাই তদন্ত করে দেখার প্রয়োজন আছে, দেশের হিরোরা কোনও চাপের মুখে পড়ে এই ধরনের টুইট করেনি তো। যদি তাই হয়ে থাকে, সেক্ষেত্রে সেলিব্রেটিদের আরও নিরাপত্তা দেওয়ার প্রয়োজন আছে।’

সম্প্রতি, টুইট নিয়ে এনসিপি প্রধান শরদ পাওয়ার শচীন তেন্ডুলকরকে বিঁধেছিলেন। তিনি বলেন, দেশের কৃষকদের বিষয়ে মতামত পেশ করার আগে চিন্তাভাবনা করা দরকার।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here