dfvsd

মহানগর ওয়েবডেস্ক: মঙ্গলবার খাস কলকাতার বিদ্যাসাগর কলেজে বিদ্যাসাগরের মুর্তি ভাঙে দুষ্কৃতিরা। ঘটনার সূত্রপাত, বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি অমিত শাহর কলকাতার বুকে মিছিল ছিল। বৌবাজার থেকে সেই শোভাযাত্রা শুরু হয়েছিল শেষ হয় বিধান সরনীতে। অমিতের গমনের পরে শোভা যাত্রা অ-শোভা যাত্রায় রুপান্তরিত হয়। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বারভাঙা ক্যাম্পাসের পর বিজেপি- তৃণমূল ছাত্রপরিষদের মধ্যে তুমুল সংঘর্ষ হয়।

এই হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত হয় বিদ্যাসাগর কলেজ, বিদ্যাসাগর কলেজের হস্টেল, আহত হন তৃণমূল ছাত্র পরিষদের বেশ কিছু ছাত্র-ছাত্রী। সেখানেই ভাঙা হয় বিদ্যাসাগরের মূর্তি। গতকালের এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে অশান্তির শুরু হয় সোশ্যাল মিডিয়া জুড়ে। কার্যত সোশ্যাল মিডিয়া আজ ভাগ হয়েছে দু’দিকে। কিন্তু তাঁরই মাঝে ইশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের মূর্তি ভাঙার জন্য নানা মহল থেকে বার্তা আসতে শুরু করেছে। এদিন সকালে এই ঘটনার নিন্দা করে টুইটারে টুইট করেন পরিচালক মহেশ ভাট।

 

তিনি জানান, ”পন্ডিত বিদ্যাসাগরকে আঘাত করা মানে বাংলাকে আক্রমণ করা। বাংলা ভাষাকে আক্রমণ করা। যিনি বাংলা ভাষাকে সরলকরনির জন্য বর্ণপরিচয় রচনা করেছিলেন। বাংলা ভাষাকে পরিচয় করানোর জন্য বর্ণপরিচয়ের অবদান অস্বীকার করা যায়না।” মহেশ আরও জানান, ”শুধুমাত্র বাংলা ভাষা নয় সামাজিক নানা কাজে তাঁর অবদান অনস্বীকার্য। তিনি একজন সমাজসেবীও। তাঁর জন্যই বিধবা বিবাহ ও নারী শিক্ষা ব্যবস্থায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা গ্রহণ করেছিলেন বিদ্যাসাগর মহাশয়।” কার্যত ইশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের মূর্তি ভাঙাকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক চাপানউতোর চলছে এখনও। পুলিশ সূত্রে খবর, এই ঘটনাতে এখনও পর্যন্ত মোট ৫৮ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

 

একটি উত্তর ত্যাগ

Please enter your comment!
Please enter your name here