ডেস্ক: ভারতের আমন্ত্রণ ফিরিয়ে দিল মালদ্বীপ। মার্চ মাসের ৬ তারিখ একত্রে ১৬টি দেশের সঙ্গে নৌসেনা মহড়ায় নামতে চলেছে ভারত। সেই উপলক্ষ্যে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল দ্বীপরাষ্ট্র মালদ্বীপকেও। কিন্তু মালদ্বীপ সেই আমন্ত্রণ স্বীকার করেনি, এমনটাই জানিয়েছেন নৌসেনা প্রধান অ্যাডমিরাল সুনীল লাম্বা।

বর্তমানে রাজনৈতিক অরাজকতার পরস্থিতি তৈরি হয়ে রয়েছে মালদ্বীপে। এই অবস্থায় আর্থিক সহায়তার জন্য চিনের দিকে ঝুঁকছেন মালদ্বীপ রাষ্ট্রপতি আবদুল্লা ইামেন। একটি আর্থিক চুক্তির আওতায় মালদ্বীপের আর্থিক পরিকাঠামো বৃদ্ধিতে সাহায্য করবে চিন। এই পরিস্থিতিতে ভারতের নৌবহরের আমন্ত্রণ খারিজ করে দেওয়াকে মোটেই ভাল চোখে নিচ্ছে না আন্তর্জাতিক মহল। ভারতের আমন্ত্রণ খারিজ করে দেওয়ার প্রেক্ষিতে মালদ্বিপের তরফে কোনও সাফাই না দেওয়া হলেও, চিনের সঙ্গে ঘনিষ্ঠতাকেই মূল কারণ বলে মনে করছে আন্তর্জাতিক মহল।

এই মহড়া প্রত্যেক দু’বছরে একবার করে আয়োজন করে ভারত। ইন্দো-প্রশান্তমহাসাগরীয় বলয়ে আন্দামান-নিকোবর দ্বীপপুঞ্জের অদূরেই অনুষ্ঠিত হবে আটদিন ব্যাপী এই মহড়া। মালদ্বীপের মতোই অন্যান্য দেশের কাছেও আমন্ত্রণ পাঠানো হয়েছিল যা সকলের সাদরে গ্রহণ করেছে। ব্যাতিক্রম কেবল এই অশান্ত দ্বীপরাষ্ট্র। মনে করা হচ্ছে, ভারতের প্রতি নিজেদের তিরস্কার প্রকাশ করতেই এই আমন্ত্রণে সাড়া দেয়নি মালদ্বীপ।

মালদ্বীপের রাষ্ট্রপ্রধানের আরোপ করা জরুরি অবস্থা অসাংবিধানিক, ভারতের তরফ থেকে এই মন্তব্য শোনার পর থেকেই দিল্লির উপর বেজায় চটেছেন রাষ্ট্রপতি আবদুল্লা ইামেন। অন্যদিকে, ভারতের সঙ্গে বৈপরিত্যের সুযোগ নিয়ে ইামেনকে তুষ্ট করার কোনও রাস্তাই বাকি রাখেনি চিন। তারপরই আচমকা ড্রাগনের দেশের প্রেসিডেন্ট শি জিংপিং-এর সঙ্গে একটি আর্থিক করিডর স্বাক্ষর করেন আবদুল্লা। এর মাধ্যমে চিনের থেকে পরিকাঠামো উন্নত করতে কয়েক কোটি ডলারের সাহায্য নেবে মালদ্বীপ।

 

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here