প্রতিবাদ না হলে ভারতও কিন্তু ভারত থাকবে না! অবস্থান স্পষ্ট, মমতা হাত যাদবপুরের কাঁধে

0
1055

মহানগর ওয়েবডেস্ক: যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে সংঘর্ষের দিন থেকে এই বিতর্ক নিয়ে মুখ খুলতে শোনা যায়নি মুখ্যমন্ত্রীকে। এদিন প্রথম প্রকাশ্যে পুরো ঘটনা নিয়ে মুখ খুললেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। নেতাজি ইন্ডোরের এক অনুষ্ঠানে নিজের অবস্থান স্পষ্ট করে মমতা কার্যত বুঝিয়ে দেন, পড়ুয়াদের প্রতিবাদের প্রতি সমর্থন রয়েছে তাঁর। একই সঙ্গে বাবুল সুপ্রিয় সহ এবিভিপি সমর্থকদের কটাক্ষের সুরে খোঁচাও দিয়েছেন তিনি। কারোর নাম না করেই মমতা বলেন, যাদবপুরে কী হয়েছে সবাই জানে।

এবিভিপির অনুষ্ঠানে যোগ দিতে এসেছিলেন বাবুল। সেখানেই তাঁকে ঘিরে ধরে হেনস্থা করেন বাম ছাত্ররা। এমনটাই অভিযোগ। পরে আবার এবিভিপি সদলবলে ক্যাম্পাসে হাঙ্গামা চালিয়ে আগুন লাগিয়ে দেয় বলেও অভিযোগ উঠেছে। এই ঘটনায় নিজের অবস্থান সাফ করেন মুখ্যমন্ত্রী। বলেন, ‘গণতন্ত্রে প্রতিবাদ থাকা প্রয়োজন বলে আমি মনে করি। যেদিন প্রতিবাদ নিজের মূল্য হারাবে, সেদিন ভারত আর ভারত থাকবে না। বাংলায় এখনও গণতন্ত্র রয়েছে, অনেক জায়গায় তাও নেই। আমরা দেখেছি যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে গিয়ে কী করেছে! সব জায়গাতেই ওরা গায়ের জোর দেখায়।’ বস্তুত কোনও রাজনৈতিক দলের নাম না নিলেও তাঁর নিশানা যে গেরুয়া শিবিরের দিকেই ছিল তা দিনের আলোর মতোই পরিস্কার।

কেন্দ্রীয় মন্ত্রী বাবুল সুপ্রিয়, যিনি সেদিনের ঘটনার কেন্দ্রে ছিলেন, তাঁকেও তুলোধনা করতে ছাড়েননি মমতা। বাবুলকে আক্রমণ করে তিনি বলেন, আসানসোলে বাবুল সুপ্রিয়কে ভোট দিয়েছিলেন তো! ওরা সব জায়গাতেই গায়ের জোর ফলায়। আজ শিল্পাঞ্চলের সাংসদ অথচ শিল্পের জন্য কিছুই করছে না।

মমতার নিশানায় মূলত বিজেপি ও তাদের ছাত্রসংগঠন রইলেও তাঁর অবস্থানে যাদবপুরের পড়ুয়ারা যে পায়ের তলায় অনেকটাই মাটি পাবে, তা বলাই বাহুল্য।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here