kolkata bengali news

ডেস্ক: অন্ধ্রপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী চন্দ্রবাবু নাইডুর বিরোধী মঞ্চে যোগ দিয়ে এদিন লোকসভা নির্বাচনের প্রচারপর্বের ‘নেট প্র্যাকটিস’ সেরে রাখলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর আক্রমণাত্মক ভাষণে একাধারে যেমন ছিল মোদী বিরোধিতা, অন্যদিকে ছিল রাজ্য সরকারের গুরুত্ব অনুধাবন। তবে মোদীর বিরুদ্ধে এদিন যেভাবে তেড়েফুঁড়ে আক্রমণ করেন তৃণমূল নেত্রী, তাতে আগামী সময়ে এই আক্রমণের তেজ আরও বাড়বে বলে ধরে নেওয়া যাচ্ছে। টেলিপ্রম্পটার দেখে ভাষণ দেওয়ার জন্য কটাক্ষ করা থেকে শুরু করে খোলা মঞ্চে ডিবেটের জন্যও চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দেন তিনি।

মোদীকে নিশানায় নিয়ে মমতা এদিন বলেন, এটা দুর্ভাগ্য যে মোদীর মতো প্রধানমন্ত্রী রয়েছে আমাদের দেশে। মোদী-শাহ জুটিকে কটাক্ষ করে ‘দুটো সাইনবোর্ড’ বলে খোঁচা মারেন তিনি। মমতা বলেন, ‘আগে চা ওয়ালা ছিল। এখন চৌকিদার। কার চৌকিদার? দেশকে লোটার চৌকিদার, নোটবন্দির চৌকিদার। গত পাঁচ বছরে সবচেয়ে বেশি সেনার মৃত্যু হয়েছে। সব থেকে বেশি কৃষক আত্মহত্যা হয়েছে। বেকারত্ব ৪৫ বছরের রেকর্ড ভেঙেছে। আর উনি মিথ্যে বলে যাচ্ছেন। ৫৬ নিয়ে ৫৬০ ইঞ্চি মিথ্যা বলে যাচ্ছেন। সকাল, দুপুর, বিকেল, রাত যখন খুশি তখন মিথ্যে বলে যাচ্ছেন। ‘ মমতা আরও বলেন, ‘পাঁচ বছরে একটা সাংবাদিক সম্মেলনও করলেন না। খালি টিভি আর স্টেজে উঠে ভাষণ দেন। এ কেমন প্রধানমন্ত্রী?’

এদিনের ভাষণে মোদীকে সরাসরি খোলা মঞ্চে ডিবেটের জন্য আহ্বান জানান মমতা। বলেন, ‘মোদীজি আসুন না একটা ডিবেট হয়ে যাক। আমি তৈরি। আমি কোনও টেলিপ্রম্পটার নিয়ে আসব না। দেখি কার কত ক্ষমতা?’ পাশাপাশি মোদী ও বিজেপিকে উদ্দেশ্য করে মমতা বলেন, ‘উনি দেশের নেতা কী হবেন? ব্লকের নেতা হওয়ার যোগ্য না। খালি ইনকাম ট্যাক্স রেইড। শপিং মল তো পার্টি অফিস হয়ে গেছে। রাফালে হলে সাংবাদিক সম্মেলনও করেন না। পুলওয়ামার পর কারোর সঙ্গে কথা বলেছেন? আমরা রাজনীতি করিনি। কিন্তু যখন ইনফর্মেশন ছিল তখন কেন আটকালেন না। নোটবন্দির সময় বলেছিলেন সন্ত্রাস থাকবে না। কোথায় সেই প্রতিশ্রুতি? রাফাল ইস্যুতেও চুপ কেন? কে প্রধানমন্ত্রী হবে আপনাকে দেখতে হবে না। আমরা রাজ্য চালাই, বুঝে নেব। ১৩০ কোটি মানুষ নেবে কে প্রধানমন্ত্রী হবে।’

 

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here