cm news

মহানগর ওয়েবডেস্ক: ঝড়-জল হোক বা বৃষ্টি-বাদল, দুর্যোগ হোক বা মহামারী, পথে নেমেই রাজধানীকে মূলধন করে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী হয়েছেন তিনি। রাজ্যের উপর যখন করোনা হামলা চালিয়েছে, তখনও সেই গতিপথ একটুও বদলায়নি। আরও বেশি করে সাধারণ মানুষের মধ্যে নিজেকে মিশিয়ে দিচ্ছেন মমতা বন্দোপাধ্যায়। লকডাউনের দ্বিতীয় দিনেও সাধারণ মানুষের স্বার্থ সুরক্ষিত করতে পথে নামলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। গত ৪৮ ঘণ্টায় বাজারে আকাল সৃষ্টি হওয়ার পাশাপাশি বিক্রেতাদের উপর পুলিশের ডাণ্ডা বর্ষণের অভিযোগ উঠেছে মুহুর্মুহু। যার কারণে দোকান বন্ধ রাখতে হচ্ছে, নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিস পাচ্ছেন না সাধারণ মানুষ। সেই সমস্যা সমাধানেও পথে নামলাম মমতা।

এদিন প্রথমে পোস্তা বাজারে গিয়ে হাজির হন মুখ্যমন্ত্রী। সেখানে ব্যবসায়ীদের সঙ্গে কথা বলে জোড়াবাগান পুলিশের ভূমিকায় অসন্তোষ দেখান তিনি। এরপর সেখান থেকে বেরিয়ে পাশের জানবাজারে হাজির হন। মমতাকে দেখেই ছুটে আসেন এক সব্জি বিক্রেতা। রাস্তায় পড়ে থাকা ইট হাতে নিয়ে ক্রেতাদের দাঁড়ানোর বৃত্ত আঁকতে থাকেন। সঙ্গে সঙ্গে ওই সব্জি বিক্রেতার হাত নিয়ে ইট নিজে টেনে নেন মমতা। ৬৫ বছর বয়সেও রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী নিজের হাতে ইট বয়ে বাজারে ক্রেতাদের দূরত্ব বজায় রেখে দাঁড়ানোর বৃত্ত নিজে এঁকে দেন। বারবার বলেন, কেউ কাছাকাছি ঘেঁষবেন না। সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখাই এই ভাইরাসকে ঠেকানোর একমাত্র উপায়।

এরপর রফি আহমেহ কিদওয়াই রোডেও হাজির হন মমতা। সেখানে খোঁজ নেন পশুপাখিদের খাবারে কোনও অসুবিধা হচ্ছে কিনা। সেখান থেকে বেরিয়ে গরিয়াহাট বাজার এলাকায় হাজির হন। সেখানেও সব্জি বাজারে পৌঁছে প্রত্যেককে দূরত্ব বজায় রাখার বিষয়ে সচেতন করেন। ব্যবসায়ীদের বলেন, দূরে দূরে থাকলে তোমরা নিজেরাও ভালো থাকবে। যারা কিনতে আসছে তারাও ভালো থাকবে। শেষে লেক মার্কেট এলাকার বাজার পরিদর্শন করেন মমতা। সেখানেও পৌঁছে বোঝান দূরত্ব বজায় রাখার গুরুত্ব।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here