মহানগর ওয়েবডেস্ক: নেই কর্মসংস্থানের কোনও দিশা। রেকর্ড বেকারত্বের সঙ্গে কী ভাবে লড়া হবে তারও ইঙ্গিত নেই। আয় করে ছাড়ের ঊর্ধ্বসীমা বাড়েনি। উল্টে পেট্রোল ডিজেলের উপর অতিরিক্ত ১ টাকা সেস লাগান হয়েছে। যার কারণে আগামীদিনে প্রায় দেড় থেকে দু টাকা পেট্রোলের দাম বাড়তে পারে বলে অনুমান বিশেষজ্ঞদের। এই নিয়ে এবার টুইটারে নিজের ক্ষোভ উগরে দিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

সংসদে যখন এদিন বাজেট পেশ হয় তখন বিধানসভা অধিবেশনে ছিলেন মুখ্যমন্ত্রী। তাই কিছুটা দেরিতেই বাজেট নিয়ে প্রতিক্রিয়া দিলেন তিনি। এদিন সন্ধে ৬টার পর নিয়ে আগামী অর্থবর্ষের এই বাজেটের বিরোধীরতা করেন মমতা। লেখেন, ‘২০১৯ সালের এই বাজেট সম্পূর্ণ দিশাহীন। উপরন্তু পুরো দিশাটাই বেলাইনে করে দেওয়া হয়েছে। এর উপর আবার পেট্রোল ডিজেলের উপর শুধু সেস-ই নয়, আমাদানি শুল্কও চাপিয়ে দেওয়া হয়েছে যার ফলে পেট্রোলের দাম প্রায় ২.৫০ টাকা এবং ডিজেলের দাম ২.৩০ টাকা বেড়ে যাবে।’ মুখ্যমন্ত্রী এর পরের একটি টুইটে লেখেন, ‘এর ফলস্বরূপ পরিবহণ সহ সাধারণের হেঁশেলে সরাসরি মূল্যবৃদ্ধির প্রভাব পড়বে। জনগণ কেবলই ভুগছেন। এটাই হচ্ছে নির্বাচনের পুরস্কার।’


প্রসঙ্গত, বাজেট পেশের পর এদিন প্রথমেই তৃণমূল কংগ্রেসের তরফে এর বিরোধীতা করেন মহাসচিব পার্থ চট্টোপাধ্যায়। বলেন, ‘বাংলাকে যে স্পেশাল প্যাকেজ দেওয়ার কথা হয়েছিল তা হয়নি। বাংলাকে বঞ্চিত করা হয়েছে। জ্বালানির দাম বাড়লে পরিবহণের খরচও বহু পরিমাণে বাড়বে। আর পরিবহণের খরচ বাড়লে দুর্দশা বাড়বে সাধারণ মানুষেরই।’ কেন্দ্রের বাজেট কোনও ভাবেই তরুণদের কর্মসংস্থানের কোনও দিশা দেখাতে পারেনি বলে দাবি করেন পার্থ। একই সঙ্গে তাঁর অভিযোগ, ‘তপশিলী জাতি-উপজাতি ও আদিবাসীদের উন্নয়নেরও কোনও দিশাও পাওয়া যায়নি।’

অনুযোগের সুরে পার্থকে আরও বলতে শোনা যায়, ‘সেস বৃদ্ধি করে যে অর্থ কেন্দ্র নিয়ে যাচ্ছে, তার ছিঁটেফোটাও রাজ্যকে দিচ্ছে না।’ আয়করের হার অপরিবর্তিত রাখার কারণেও কেন্দ্রের সমালোচনা করেন তিনি। মেট্রোরেলের জন্য নয়া কোনও ঘোষণা না থাকার কারণে রাজ্যের মানুষ হতাশ বলে দাবি করেন পার্থ।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here