kolkata news

মহানগর ডেস্ক:  সারাদিন সংবাদ শিরোনামে ছিলেন মুকুল রায়। ছেলেকে নিয়েই তৃণমূলে যোগ দিচ্ছেন। তৃণমূলে যোগ দেওয়ার পরেই সাংবাদিক সম্মেলন করেন তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেই সাংবাদিক সম্মলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, এজেন্সি দিয়ে ভয় দেখিয়ে মুকুল রায়কে বিজেপিতে টানা হয়েছিল।

তৃণমূলের তরফে বার বার অভিযোগ করা হয়েছিল, কেন্দ্রীয় সংস্থাকে দিয়ে ভয় দেখিয়ে বিজেপিতে নেতা টানার চেষ্টা করছেন। নেটিজেনদের একাংশ এই বিজেপিকে বলে ওয়াশিং মেশিন। কারণ, বিজেপিতে গেলেই যত বড় অভিযুক্ত হন না কেন, তাঁর বিরুদ্ধে কোনও তদন্ত হয় না। চলতি বছর বিধানসভা নির্বাচনের আগে আগেই বেশ কিছু সক্রিয়তা বেড়ে গেছিল বলেও তৃণমূলের একাধিক নেতা বিভিন্ন সময় অভিযোগ করেছিলেন।

প্রসঙ্গত, ২০১৫ সালে সিদ্ধার্থ নাথ সিং বাংলায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে বলেছিলেন ভাগ মুকুল ভাগ। এরপরেই সারদা চিটফান্ড কাণ্ডে মুকুল রায়ের নাম জড়িয়ে যায়। তাঁকে কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা বেশ কয়েকবার তলব করেন। এরপরেই তিনি ২০১৭ সালের ৩ নভেম্বর বিজেপিতে যোগদেন। সেই সময় মুকুল বিরোধী সমস্ত স্লোগান ভুলে বিজেপি তাঁকে স্বাগত জানান। তখনই থেকেই বিশেষজ্ঞদের অনেকে বলতে থাকেন, যাতে তাঁর বিরুদ্ধে সারদার তদন্ত না হয়, সেই কারণেই তিনি বিজেপিতে যোগ দিয়েছেন।

নারদ কাণ্ডে একই ধরনের ঘটনা দেখা যায়। বিজেপি যোগ দেওয়ার পরে অভিযোগ থাকা সত্ত্বেও সিবিআই  মুকুল রায় বা শুভেন্দু অধিকারীকে জিজ্ঞাসাবাদ পর্যন্ত করেনি। অন্য দিকে, ফিরহাদ হাকিম, সুব্রত মুখোপাধ্যায়, মদন মিত্রকে গ্রেপ্তার করে সিবিআই। বিজেপি থাকলেও শোভন চট্টোপাধ্যায়ের সঙ্গে নেতৃত্বের দুরত্ব ক্রমশ বেড়েছে। অনেকেই মনে করছেন, সেই কারণে শোভন চট্টোপাধ্যায়কে সিবিআই গ্রেপ্তার করেছে বলেও অভিযোগ উঠেছে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here