kolkata news

মহানগর ওয়েবডেস্ক: প্রতিবারের মতোই এবার নেতাজি ইন্ডোর স্টেডিয়ামে বাংলার কৃতী খেলোয়াড়দের সংবর্ধিত করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। কিন্তু এই অনুষ্ঠানে এসেও ‘দিদি’র মুখে কেবলই করোনা। কানায় কানায় পূর্ণ ইন্ডোর স্টেডিয়ামে উপস্থিত সকলকে মারণ করোনা ভাইরাস থেকে সতর্ক থাকার পাঠ দিলেন তিনি।

অনুষ্ঠানে খুব একটা বেশি বক্তব্য রাখেননি মমতা। কিন্তু যতক্ষণ কথা বলেছেন, তার সিংহভাগ জুড়েই ছিল করোনা প্রসঙ্গ। কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রকের অ্যাডভাইসরি মেনে চলার অনুরোধ করেন তিনি। বড় জমায়েত না করার পরামর্শ দেওয়া পাশাপাশি পাঁচ ‘মিটার’ দূর থেকে কথোপকথন করার কথাও বলেন মুখ্যমন্ত্রী। যদিও এই অনুষ্ঠানেই তাঁর পাঁচ মিটারের মধ্যে অনেক নামী ক্রীড়াবিদই মঞ্চ আলো করে বসে ছিলেন। যদিও চিকিৎসকরা দুই ব্যক্তির মধ্যে ৩ থেকে ৪ ফুট দূরত্ব বজায় রাখার পরামর্শ দিচ্ছেন।

সেই সঙ্গে সঙ্গে ভাল করে হাত কনুই পর্যন্ত ধোয়া, মাস্ক ব্যবহার, যত্রতত্র কফ-থুতু না ফেলা, প্রয়োজনে ডাক্তারি পরামর্শ নেওয়া, কাঁচা শাক সবজি না খাওয়ার কথাও বলেন মুখ্যমন্ত্রী। তবে অযথা আতঙ্কিত না হওয়ার কথাও তিনি বলেন। মুখ্যমন্ত্রী জানান, ‘সব মশার কামড়ে ডেঙ্গু হয় না। সব মাছ যেমন ইলিশ নয়, তেমনই সর্দি মানেই করোনা ভাইরাসও নয়।’

এর পাশাপাশি, এই অনুষ্ঠানে প্রতিবছর ক্লাবগুলিকে ক্রীড়াক্ষেত্রে উন্নতির জন্য যে টাকা রাজ্য সরকারের তরফ থেকে তুলে দেওয়া হয়, তা দেওয়া হয়নি। যেহেতু এক স্থানে অনেক লোকের জমায়েত না করার পরামর্শ দিয়েছে কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রক, তাই ইন্ডোরে অনুষ্ঠান আয়োজন করলেও ক্লাবের প্রতিনিধিদের সুরক্ষার খাতিরে মঞ্চে ডেকে তাঁদের হাতে চেক তুলে দেওয়া হয়নি। বরং প্রতিটি ক্লাবের কর্তাদের হাতে পুলিশ প্রশাসন তিনদিনের মধ্যে চেক পৌঁছে দেবে বলে জানান মমতা।

অন্যদিকে, হাওড়ার ডুমুরজোলা স্টেডিয়ামের নাম প্রয়াত কিংবদন্তি শৈলেন মান্নার নামে নামাঙ্কিত করার কথাও ঘোষণা করেন মুখ্যমন্ত্রী। এছাড়া মোহনবাগান খেলোয়াড়দের আই লিগ জয়ের জন্য শুভেচ্ছা জানিয়ে সংবর্ধিতও করেন তিনি। পাশাপাশি ১০০ বছর পূর্তির জন্য অভিনন্দন জানান ইস্টবেঙ্গল ক্লাবকেও। শতবর্ষ পালনে যেকোনো রকম সাহায্য করার আশ্বাস দেন মমতা। তিনি বলেন, ‘ইস্টবেঙ্গল মোহনবাগান, মহামেডান বাংলার গর্ব। এদের ছাড়া বাংলার কথা ভাবা যায় না।’

 

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here