ডেস্ক: আসন্ন লোকসভাকে পথ দেখাতে শনিবারের হাইভোল্টেজ ব্রিগেড মঞ্চ ভরে উঠেছিল সারা দেশের বিরোধী নেতাদের পদচিহ্নে। মঞ্চে ছিলেন অভিষেক মনু সিংভি, শত্রুঘ্ন সিনহা, মল্লিকার্জুন খাড়গে, অখিলেশ যাদব, হার্দিক প্যাটেল সহ একাধিক নেতা। লক্ষ্য একটাই ২০১৯ লোকসভা নির্বাচনে কেন্দ্র থেকে মোদীকে হঠাতে হবে। আর সেই লক্ষ্য বাস্তবায়িত করতে ব্রিগেড সভার পর ইউনাইটেড ইন্ডিয়ার নির্বাচনী কমিটি গঠন করে দিলেন তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

এদিনের বৈঠকের পর সাংবাদিক বৈঠক করে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়ে দেন এই বিশেষ নির্বাচনী কমিটির কথা। একইসঙ্গে এটাও জানিয়ে দেন কারা কারা থাকবে এই কমিটিতে। এই কমিটির জন্য তাঁর নির্বাচিত নেতারা হলেন, অরবিন্দ কেজরিওয়াল, অভিষেক মনু সিংভি, অখিলেস যাদব ও সতীশ মিশ্র। এই কমিটি কথা বলবে নির্বাচন কমিটির সঙ্গে। কারণ বিরোধীদের প্রথম থেকেই অভিযোগ, ইভিএমে যে ভোট হয় তা ঠিকঠাক নয়। কারচুপির জেরে ইভিএম ভোটে সুবিধা পায় বিজেপি। এদিকের সভা শেষে সাংবাদিক বৈঠক করে নেতারা জানান, ২০১৯ সালের লোকসভায় যদি ইভিএম মেসিনে ভোট হয় সেক্ষেত্রে কারচুপি এড়াতে ভিভিপ্যাটও নিশ্চিত করতে হবে। পাশাপাশি সমস্যা এড়াতে ব্যালট পেপার ভোটের পক্ষেও সাওয়াল ওঠে। এবং এই চারজনের ‘ইউনাইটেড ইন্ডিয়া’ কমিটি সমস্ত বিষয়গুলিকে তুলে ধরে শীঘ্রই নির্বাচন কমিশনকে চিঠি লিখবেন বলেও জানিয়ে দেন।

তবে বিরোধীদের তোলা সমস্ত অভিযোগ পুরোপুরি ভুয়ো বলে আগেই দাবি করেছেন মুখ্য নির্বাচন কমিশনার সুনীল অরোরা। গতকালই বিহারে সাংবাদিক বৈঠক করে তিনি জানান, ইলেকট্রনিক ভোটযন্ত্রে কারচুপির কোনও সম্ভাবনা নেই। যখনই কোনও দল হেরে যায়, তখন ভোটযন্ত্র নিয়ে অভিযোগ করে। তবে ভোটযন্ত্রে মাঝে মাঝে ছোটখাটো গোলমাল দেখা যায় বলে স্বীকার করে নিয়ে তিনি বলেন, অন্যান্য যন্ত্রের মতো ইভিএমেও ছোট খাটো সমস্যা হয় কিন্তু তা সঙ্গে সঙ্গে সারিয়ে দেওয়া হয়। ইভিএমে কখনও কোনও কারচুপি করা যায় না। সম্প্রতি, ৫ রাজ্যের বিধানসভা নির্বাচনে ১ লক্ষ ৭৬ হাজার ইভিএম ব্যবহার করা হয়েছিল। তাঁর মধ্যে খারাপ হয়েছিল মাত্র ৬ টি।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here