bengali kolkata news

Highlights

  • এক মুখ দাড়ি। বিধ্বস্ত চেহারা। এক ঝলকে দেখলে মনে হতেই পারে হত দরিদ্র কোনও ব্যক্তি
  • ইনি জম্মু কাশ্মীরের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী ওমর আবদুল্লা
  • টুইটে সেই ছবি প্রকাশ্যে এনে দুঃখ প্রকাশ করে তিনি বললেন, এর শেষ কোথায়?

মহানগর ওয়েবডেস্ক: এক মুখ দাড়ি। বিধ্বস্ত চেহারা। এক ঝলকে দেখলে মনে হতেই পারে হত দরিদ্র কোনও ব্যক্তি। আদতে তা কিন্তু নয়, ইনি জম্মু কাশ্মীরের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী ওমর আবদুল্লা। অথচ মাত্র কয়েকমাসে একি চেহারার পরিবর্তন। সদ্য প্রকাশ্যে আসা ওমরের সেই ছবি দেখে আঁতকে উঠলেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। টুইটে সেই ছবি প্রকাশ্যে এনে দুঃখ প্রকাশ করে তিনি বললেন, এর শেষ কোথায়?

জম্মু কাশ্মীর থেকে ৩৭০ ধারা তুলে নেওয়া ও উপত্যকাকে আড়াআড়ি ভাগ করার পর ভুস্বর্গের কোনওরকম অশান্তি এড়াতে গৃহবন্দি করা হয়েছিল সেখানকার রাজনৈতিক নেতাদের। সম্প্রতি একে একে কয়েক জনকে ছেড়ে দেওয়া হলেও এখনও পর্যন্ত ছাড়া পাননি মেহবুবা মুফতি, ওমর আব্দুল্লার মতো জম্মু কাশ্মীরের ভিভিআইপি নেতারা। ভয়াবহ উপত্যকায় এতদিন তারা কেমন আছেন? জানা যায়নি সেটাও। এরই মাঝে প্রায় ৫ মাস পর প্রকাশ্যে এল বন্দি দশায় থাকা ওমর আবদুল্লার এক টুকরো ছবি যা প্রকাশ্যে আসতেই শিউরে উঠেছে মানুষ। কতটা ভয়াবহ পরিস্থিতির মধ্যে থাকলে মাত্র ৫ মাসে এতখানি চেহারার পরিবর্তন হতে পারে একটা মানুষের। ছবি দেখে তাজ্জব হয়ে গিয়েছেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও। সেই ছবি তুলে ধরেই শুক্রবার এক টুইট বার্তায় তিনি লেখেন, ‘এই ছবিতে আমি চিনতে পারছি না ওমর আবদুল্লাকে। অত্যন্ত মর্মাহত আমি। এটা আমাদের দুর্ভাগ্য যে গণতান্ত্রিক দেশে এই ধরনের ঘটনা ঘটে চলেছে। এই ভয়াবহতার শেষ কোথায়?’


উল্লেখ্য, ৫ আগস্ট জম্মু কাশ্মীর থেকে ৩৭০ ধারা তুলে নেওয়ার পর বেশ চড়া সুরে কেন্দ্রীয় সরকারের বিরোধিতা করতে দেখা গিয়েছিল মেহবুবা মুফতি, ওমর আবদুল্লা, ফারুক আবদুল্লার মতো নেতাদের। পাশাপাশি, আটক করা হয়েছিল বহু বিচ্ছিন্নতাবাদী নেতাদের। সরকারের এই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে মামলাও চলছে শীর্ষ আদালতে। যদিও বর্তমানে উপত্যকা স্বাভাবিক দাবি করে সেখান থেকে ধীরে ধীরে রাশ আলগা করছে সরকার। চালু করা হচ্ছে ইন্টারনেট ও মোবাইল পরিষেবা। তবে গৃহবন্দি অবস্থায় প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীর যে ছবি এদিন প্রকাশ্যে এল তা দেখলে রীতিমতো শিউরে উঠতে হয়।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here